সিলেট নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম : স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বেকার নার্সদের উপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বর্জন করেছেন দেশের নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।
এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন।
সিলেট নার্সিং কলেজের সকল বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যানারে বের হওয়া মিছিলটি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে তারা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রথম গেইটের সামনে মানববন্ধন করে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা নার্সদের উপর পুলিশি হামলা, মামলা, তাদের দাবি আদায়ের জন্য বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে। পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মানববন্ধন শেষ করে তারা হোস্টেলে ফিরে যান।
শিক্ষার্থীরা জানান, বেকার নার্সদের দাবি আদায়ের জন্য গত ১ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন বেকার নার্সরা। সে সময় পুলিশ তাদের উপর হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় সিলেট নার্সিং কলেজেও অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও ক্লিনিক্যাল প্রাকটিস বর্জন করা হয়েছে। আর এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পিএসসির মাধ্যমে না করে আগের মতো জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবিতে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল বেকার নার্সরা।
গত বুধবার বিকাল থেকে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা বেকার নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিডিবিএনএ) এবং বাংলাদেশ বেসিক গ্র্যাজুয়েট নার্সেস সোসাইটির নেতা-কর্মীরা তাদের দাবি আদায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিমের বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে ওই দিন রাতে পুলিশ তাদের উঠাতে চাইলে সংঘর্ষ বাঁধে, তাতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় ১২ থেকে ১৪শ’ নাসকে আসামি করে এমটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Related News
সিলেটে ময়লার ছবি তুলে জিতে নিন লাখ টাকা: সিসিকের ছবি তোলার প্রতিযোগিতা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মহানগরীতে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা, খাল-ছড়া-নদী দূষণ কিংবা এডিস মশার প্রজননস্থলের ছবিRead More
ওসমানী হাসপাতালে হামলা-লাঞ্ছনার অভিযোগ, তদন্ত কমিটিতেই সীমাবদ্ধ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বিভাগের অন্যতম প্রধান সরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান। উন্নতRead More



Comments are Closed