Main Menu

২০২৪ সাল থেকেই মঙ্গলে মানুষ নেবে স্পেসএক্স!

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বাইরে অন্য গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপনের লক্ষ্যে গবেষণা চলে আসছে বেশ আগে থেকেই। দীর্ঘ সময় গবেষণার পর ইতোমধ্যেই মঙ্গলকে মানুষের বসবাসযোগ্য ঘোষণা করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। আগামী নয় বছরের মধ্যেই মঙ্গলে মানুষ পাঠানো শুরু করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন মার্কিন মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক।

Manual3 Ad Code

এ বছরের পহেলা জুন অনুষ্ঠিত কোড কনফারেন্সে মঙ্গলের সময়সূচী নিয়ে তার আত্মবিশ্বাসের কথা জানান মাস্ক। তিনি বলে, “যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তাহলে আমরা ২০২৪ সালে মানুষ পাঠানো শুরু করতে পারবো, যেটি পৌঁছাবে ২০২৫ সালে।”

এর আগে মঙ্গল বিষয়ে মাস্ক বলেছিলেন, “আমি মঙ্গলে মারা যেতে পছন্দ করবো।” পহেলা জুন ওই কনফারেন্সে তিনি আবারও বলেন, “মৃত্যুর জন্য মঙ্গল কামনা। আমি মনে করি, আপনি যদি মৃত্যুর জন্য কোনো জায়গা বাছাই করে থাকেন, তবে, মঙ্গল মনে হয় খারাপ পছন্দ হবে না।”

Manual8 Ad Code

সিএনএন জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে একটি কনফারেন্সে মঙ্গলে বসতি স্থাপনের স্থাপত্য পরিকল্পনা উন্মোচন করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। মানুষের যাতায়াতের জন্য যে বাহনটি তৈরি করা হবে সেটি সৌর এবং অন্যান্য নক্ষত্র পদ্ধতির উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হবে বলেও জানান মাস্ক।

২০১৪ সাল থেকেই মঙ্গলে মানুষ প্রেরণের লক্ষ্যে কাজ করছে স্পেসএক্স। “এটি অনেক বড় রকেট হবে।”, বলেন মাস্ক। ওই কনফারেন্সে সম্প্রতি পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেটে তাদের সাফল্যের কথাও বলেন তিনি। এ বছরের গ্রীষ্মেই সাফল্যের সঙ্গে ল্যান্ড করা তদের একটি রকেট পুনঃরায় উৎক্ষেপণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

Manual3 Ad Code

ওই কনফারেন্সে ম্যাট ডেমন-এর মহকাশনির্ভর চলচ্চিত্র “দ্য মার্সান” নিয়েও কথা বলেন তিনি। “আমি আসলেই ছবিটি উপভোগ করেছি। বৈজ্ঞানিক দিক থেকে এর ৮০ শতাংশ সঠিক।” -বলেন মাস্ক।

এর আগে বেশ কয়েকবার উড্ডয়নের তারিখ পেছালেও ২০১৮ সালেই ‘স্পেসএক্স ড্রাগন ভার্সন ২’ মঙ্গলে পাঠানো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মাস্ক। ওই রকেটটিতে একটি বড় এসইউভি এর সমান জায়গা রয়েছে এবং এটি যাতায়াতে সময় নেয় ছয় মাস, যেটি মানুষের জন্য খুব কষ্টকর হবে না বলেও জানান তিনি।

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code