Main Menu

ভারতের শহরে শহরে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ, চাপে মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ, শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতে শুরু হওয়া তরুণদের আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এখন দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল ঠেকাতে পুলিশের লাঠিপেটা, টিয়ারশেল ও ধরপাকড়ের পর আন্দোলনের গতি আরও বাড়ে।

সোমবার দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও তরুণ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বহু আন্দোলনকারী আহত হন এবং শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। একই দিনে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও গোয়ায় রাস্তায় নামেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আন্দোলনের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যায় প্রাঙ্গণে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা, যেখানে পরে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাও একাত্মতা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া হায়দরাবাদ, ইন্দোর, দেরাদুন ও লাদাখেও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের বাইরে লন্ডনসহ একাধিক আন্তর্জাতিক শহরে প্রবাসী শিক্ষার্থী ও ভারতীয়রা আন্দোলনের সমর্থনে প্রচ্ছদ ব্যানার নিয়ে সমবেত হন।

বুধবার (২২ জুলাই) নতুন নতুন শহরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। পাটনায় শিক্ষার্থীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে। বেঙ্গালুরুতে ক্ষমতাসীন বিজেপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করার সময় বেশ কয়েকজন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করা হয়। এ ছাড়া মুম্বাই, চেন্নাই, হায়দরাবাদ ও সুরাটে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed