Main Menu

বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি বাসদের

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি তেলের দাম দুই দফায় বাড়ানোর পর এবার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল -বাসদ সিলেট জেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘অগণতান্ত্রিক, অন্যায্য ও গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

৪ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টায় নগরের সাপ্লাইস্থ সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদী মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাসদ সিলেট জেলার আহবায়ক আবু জাফর এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ জেলার সদস্য জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন, বাসদ নেতা উজ্জ্বল রায়, শ্রমিক নেতা শহিদ আহমদ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জহর সিংহ, শ্রমিক নেতা মাহফুজ আহমেদ, রাসেল মিয়া প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, জনমত সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের যে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে, তাতে দেশবাসী হতবাক ও উদ্বিগ্ন। ‘সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি, বরং প্রকৃত আয় কমেছে। বেকারত্ব বেড়েছে এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ এমনিতেই অতিষ্ঠ। এর মধ্যে সরকার ইতিমধ্যে দুইবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। এখন আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলো।’

এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী দরিদ্র মানুষ চরম সংকটে পড়বে মন্তব্য করে নেতৃবৃন্দ বলেন, এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে পরিবহন ভাড়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহার্য সব জিনিসের উৎপাদন খরচ বাড়বে। যার চূড়ান্ত খড়্গ গিয়ে পড়বে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বিইআরসি-র গণশুনানিতে ভোক্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে বিদ্যুতের দাম কমানোর জন্য বিকল্প পথ খোঁজার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সেই বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা না করে সরকার ও বিইআরসি মূল্যবৃদ্ধির সহজ পথ বেছে নিয়েছে।এর মাধ্যমে বিইআরসি নিজেকে একটি ‘অকার্যকর ও গণবিরোধী’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এই অনৈতিক ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানান বাসদ নেতৃবৃন্দ।

Share





Related News

Comments are Closed