Main Menu

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে পুলিশ।

Manual8 Ad Code

রোববার (২৪ মে) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন।

Manual1 Ad Code

মামলায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং অপরাধে সহযোগিতা ও আলামত গোপনের চেষ্টার অভিযোগে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে চার্জশিটে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় স্বপ্না আক্তারকে এবং পরবর্তীতে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এর আগে আদালতে হাজির করা হলে সোহেল রানা নিজে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

Manual2 Ad Code

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসাকে জোরপূর্বক নিজেদের ফ্ল্যাটে ধরে নিয়ে যান সোহেল রানা। এ সময় ঘরে তার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। শিশুটি চিৎকার করতে চাইলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে বাথরুমের ভেতরে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত নষ্ট ও লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করে একটি বালতিতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় স্বজনরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। ঘরের বাইরে হৈচৈ শব্দে স্বপ্নার ঘুম ভাঙলে তিনি স্থানীয়দের ভেতরে ঢুকতে বাধা দিয়ে স্বামী সোহেল রানাকে পালাতে সরাসরি সাহায্য করেছিলেন। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতর ঢুকে স্বপ্নাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।

নিহত রামিসা আক্তার রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। এই নৃশংস ঘটনার পর শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আজ আদালতে এই চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিল।

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code