Main Menu

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ২ ঘণ্টার বৈঠক অনুষ্ঠিত, হলো যেসব আলোচনা

Manual3 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন এক কূটনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম এত উচ্চপর্যায়ের সরাসরি বৈঠকে বসেছে দুই দেশ। প্রাথমিকভাবে আলোচনার পরিবেশকে ‘ইতিবাচক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে।

Manual5 Ad Code

শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে আলোচনাটি পরোক্ষভাবে হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা সরাসরি বৈঠকে রূপ নেয়। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা পুরো সময়জুড়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিতে সহায়তা করেন।

আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে লেবাননের পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু গুরুত্ব পায়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, লেবাননে সংঘাত নিয়ন্ত্রণে আনা এবং ভবিষ্যৎ সামরিক তৎপরতা সীমিত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে।

Manual8 Ad Code

এ ছাড়া ইরানের দীর্ঘদিনের দাবি— আটকে থাকা আর্থিক সম্পদ মুক্ত করা এবং কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে উঠে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে সূত্রগুলো সীমিত অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের ফলাফল শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের জন্য নয়, পুরো পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ওপরও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিনের বৈরিতার পর সরাসরি সংলাপ শুরু হওয়াকে তারা একটি বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।

Manual3 Ad Code

তবে এখনো আলোচনার বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে। রাতের খাবারেও দুই পক্ষের আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানা গেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহল সতর্ক আশাবাদ নিয়ে ইসলামাবাদের বৈঠকের পরবর্তী অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে। সূত্র: গ্রেটার কাশ্মীর

 

Manual7 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code