Main Menu

কেরানীগঞ্জের গ্যাসলাইট কারখানায় আগুন, নারী-শিশুসহ নিহত ৫

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার আমবাগিচা এলাকার কদমতলীতে একটি অবৈধ গ্যাস লাইটার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর পুড়ে যাওয়া কারখানাটি থেকে এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

Manual7 Ad Code

শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার জানান, কদমতলী শিল্প এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় দুপুর ১টা ১১ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করে। দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। গ্যাস লাইটার কারখানায় দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়েছে।

Manual2 Ad Code

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Manual3 Ad Code

স্থানীয় ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন চৌধুরী জানান আগুন লাগার পরপরই তারা আগুন নিবাতে ৫০টিও বেশী আসপাশের বাড়িতে পানি আনার জন্য চেষ্টা করে কিন্তু কোন বাড়িতে পানি নাই।

বিএনপির স্থানীয় নেতা জহিরুল ইসলাম মামুন জানান এর আগেও এই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করতে পারেনি। বেলা ২টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পানি নিভানোর কাজ করে একঘন্টায় আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ফায়ার সার্ভিসের আরো ৪টি ইউনিট যোগ দিলে বেলা আড়াইটায় আগুন পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত গ্যাসলাইটার কারখানা থেকে ২ শিশু, তিন নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কারখানার মেইন গেট তালাবদ্ধ থাকায় প্রায় ৪০ জন নারী, শিশু ও পুরুষ শ্রমিক আটকা পরে। ১২০ থেকে ১৪০ জন শ্রমিক প্রতিদিনের মতো কাজ করছিল। ঘটনার পরপর কারখানা মালিক আকরাম হোসেন ও দারোয়ান পলাতক রয়েছে। আগুনে বিশ্বাসের কারখানার এক অংশ পুড়ে গেছে। গত বছর এই একই গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুনের কালো ধোঁয়ায় আশপাশের নারী ও শিশু সহ ৩০ জন আহত হয়েছে। তাদের স্থানীয় লোকজন সরিয়ে নিয়েছে।

Manual4 Ad Code

এলাকাবাসীর অভিযোগ কারখানা মালিক আকরাম হোসেন প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়ে আবাসিক এলাকায় অবৈধ গ্যসলাইটারের কারখানা পরিচালনা করে আসছিল। এলাকাবাসী আবাসিক এলাকা থেকে সকল কারখানা সরিয়ে নেওয়ার আহবান জানান।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code