Main Menu

হবিগঞ্জে সেতু আছে, ১০ বছরেও হয়নি চলাচলের সুযোগ

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সেতু আছে, কিন্তু ১০ বছরেও হয়নি তার উপর দিয়ে চলাচলের সুযোগ। সেতুর দুইপাশের মাটি সরে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রাস্তাটি। বর্তমানে আশপাশের ১০ গ্রামের মানুষের প্রাণের দাবি এই সেতুটি সংস্কার করার।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু প্রায় এক দশক ধরে ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। সেতুটি নির্মাণ করা হলেও এটিতে ওঠার সড়ক না থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো যানবাহন, পথচারী এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করতে পারেনি। ফলে সম্ভাবনাময় এই অবকাঠামোটি এলাকাবাসীর জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরষপুর রেলওয়ে ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হলেও বাঘদাছড়া সেতুর নামে পরিচিত হাসিনাবাদ-জামালপুর সংযোগ সেতুটি চালু না হওয়ায় পুরো সড়ক ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে রয়েছে।

Manual1 Ad Code

এতে মাধবপুর ও পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। হরষপুর থেকে কাশিমনগর এলাকার দূরত্ব খুব কম হলেও সেতুর অভাবে স্থানীয়দের ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে, এতে সময়ের পাশাপাশি বাড়ছে যাতায়াত খরচ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তখন অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাশের রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা বসিয়ে পারাপার হন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে, আর এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য এই পথ প্রায় অতিক্রম করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

হরষপুর, শিবরামপুর, জামালপুর, বিষ্ণুপুর, সমজদিপুর,শিয়ালউড়ি, হাসিনাবাদ,চেঙ্গার বাজার, কাশিমপুরসহ আশপাশের অন্তত ৩০ গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন এবং উন্নয়ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ২০১০ সালে সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরু হলেও সংযোগ সেতুটি চালু না হওয়ায় পুরো প্রকল্পটি অপূর্ণ রয়ে গেছে।

Manual8 Ad Code

এ নিয়ে স্থানীয় দক্ষিণ মাধবপুর উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বেলাল এটি দ্রুত সংস্কারের জন্য দাবী তুলেছেন। তিনি বলেন, এতে লাখ লাখ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। প্রশাসনের এ বিষয়ে দ্রুত মনোযোগ দেওয়া উচিৎ। দ্রুত এটি সংস্কার না করা হলে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেনও তিনি। তিনি লাখো মানুষের কষ্ট লাঘবে এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্যকে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। এছাড়া এই মুহূর্তে আমাদের তহবিলও নেই। এক্ষেত্রে মাননীয় সংসদ সদস্য এগিয়ে আসলে দ্রুত কিছু করা সম্ভব।

Manual6 Ad Code

তবে এলাকাবাসীর দাবি, বিলম্ব না করে দুপাশের রাস্তা ভরাট করে দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন এবং এই এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে।

Manual8 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code