Main Menu

গোয়েন্দা তথ্য পাচারকারী ৫০০ গাদ্দারকে গ্রেপ্তার করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েল এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে গোপনে গোয়েন্দা তথ্য পাঠানোর অভিযোগে ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানের পুলিশ।

রোববার (১৫ মার্চ) দেশটির পুলিশ বাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদরেজা রাদান তাসনিম নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাদান জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জনকে ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্য প্রদানের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারদের মধ্যে একাধিক আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের বেশ কয়েকজন সদস্যও আছেন। এদের প্রধান কাজ ছিল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, উসকানি প্রদান এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা করা।

লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে ২০২২ সালে ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করে ইরান। দেশটির অভিযোগ— এই টেলিভিশন চ্যানেলটির মূল লক্ষ্য ভুয়া তথ্য প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে উসকানি দেওয়া এবং ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানো।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

এর জেরে পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ সামরিক অভিযানে প্রথম ধাক্কাতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবার। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও। ১৭ দিন ধরে চলমান এই হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন ইরানে।

 

Share





Related News

Comments are Closed