Main Menu

সিলেটের ৬টি আসনে ভোটার সংখ্যা ২৯ লাখ, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২১৭টি

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সিলেটের ছয়টি আসনে জমজমাট প্রচার-প্রচারণা শেষ করে ভোটের দিনের অপেক্ষায় আছেন প্রার্থী এবং ভোটাররা। সিলেট জেলার ৬টি আসনে এবার ৩৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ ভোটার।

সিলেট জেলার ৬টি আসনের মধ্যে সিলেট-১ আসন গঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে। সিলেট-২ আসন গঠিত হয়েছে বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৩ আসন গঠিত হয়েছে দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৪ আসন গঠিত হয়েছে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৫ আসন গঠিত হয়েছে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা নিয়ে। সিলেট-৬ আসনে গঠিত হয়েছে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নিয়ে।

Manual6 Ad Code

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে সিলেট জেলার ৬টি আসনে মোট ভোটার ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৫৩ এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৬১০ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৬ জন।

Manual3 Ad Code

নির্বাচনি আসনের হিসাব অনুযায়ী সিলেট-১ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৩ জন, সিলেট-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ জন, সিলেট-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ জন, সিলেট-৪ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১২ হাজার ৯৩৩, সিলেট-৫ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৬ জন এবং সিলেট-৬ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯১ জন।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সিলেট-১ আসনের ৮ প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রণবজ্যোতি পাল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) সঞ্জয় কান্ত দাস, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া।

সিলেট-২ আসনের ৫ প্রার্থী হলেন বিএনপির মোছা. তাহসিনা রুশদীর লুনা, খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমীর উদ্দিন এবং গণফোরামের মো. মুজিবুল হক।

সিলেট-৩ আসনের ৬ প্রার্থী হলেন বিএনপির মোহাম্মদ আবদুল মালিক, জাতীয় পার্টির মো. আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুছলেহ উদ্দিন রাজু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈনুল বাকর এবং ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী।

Manual4 Ad Code

সিলেট-৪ আসনের ৫ প্রার্থী হলেন বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী, জামায়াতের জয়নাল আবেদীন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান ডালিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাঈদ আহমদ এবং গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম।

সিলেট-৫ আসনের ৪ প্রার্থী হলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, খেলাফত মজলিসের মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান, স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) মামুনুর রশিদ এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. বিলাল উদ্দিন।

সিলেট-৬ আসনের ৫ প্রার্থী হলেন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী, জামায়াতের মো. সেলিম উদ্দিন, জাতীয় পার্টির মো. আবদুন নূর, গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম।

সিলেটের ৬টি আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ১৬টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে ২১৭টি কেন্দ্র। এই ২১৭টির মধ্যে বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২টি, দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় ৪টি, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ১২টি, গোয়াইনঘাট উপজেলায় ৪৬টি, কানাইঘাট উপজেলায় ৫০টি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ১টি, সদর উপজেলায় ৪৫টি, জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯টি, জৈন্তাপুর উপজেলায় ২৪টি এবং বালাগঞ্জ উপজেলায় ২৪টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া সিলেট নগরীতে মোট ২৯৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিলেট জেলা পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. সম্রাট তালুকদার বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ নয়, আমরা ভোটকেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ দুইভাবে ভাগ করেছি। এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছেন সবার সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা কাজ করছি।’

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নগরীর সব ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code