শাবিপ্রবির ভিসি-প্রোভিসির বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে থেকেও সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির এক নির্বাচনি জনসভায় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম এবং রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহামদ আব্দুল কাদিরকে মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে কিংবা নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন না। অথচ ওই আইন উপেক্ষা করেই তাদের জনসভার মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লেখেন, ‘নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা অবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণায় যাওয়া কতটা যৌক্তিক?’
অন্যদিকে আরেকজন লেখেন, ‘সাস্টের প্রতিটা স্টুডেন্টের ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করতে ভিসি, প্রোভিসি স্যারের দৌড়ঝাঁপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখাই ভালো।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রোভিসিসহ যারা তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় গেছেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের পরিপন্থী। আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তারা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছেন। শিক্ষার্থীরা এই ঘটনায় বাকরুদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অন্যায়ের বিচার চাই, সেখানে তারাই নিজেরা আইনবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছেন-এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, ‘এর আগেও আমাকে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন আমি পড়েছি। আমরা সেখানে কোনো নির্বাচনি প্রচারণায় যাইনি, শ্রোতা হিসেবে গিয়েছিলাম।’
তবে এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
Related News
বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
Manual7 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশা ও স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটেছেRead More
শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী, মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উন্নয়নের প্রত্যাশা
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শনিবার (২ মে) সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁরRead More



Comments are Closed