Main Menu

বিগত সরকারের সময়ে অপহরণ ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

Manual7 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: বিএনপি করার কারনে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে অপহরণ ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় হয়রানি হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে আওয়ামী দোসর হিসাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১২টায় বাঘমারায় নিজ এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মতিন।

Manual4 Ad Code

লিখিত বক্তব্যে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, আমি কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের টানা তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে যুবদল ও বিএনপি’র একনিষ্ঠ কর্মী। বিএনপি’র রাজনীতি করার কারনে মারধরের শিকার হতে হয়েছি এবং আওয়ামী শাসনামলে মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমার নামে রাজনৈতিক মামলা করা হয়। তাছাড়া ২০০৯ সনে রাতে ভানুগাছ বাজার থেকে বাড়ি আসার পথে সন্ত্রাসীরা আমাকে তুলে নিয়ে আমার হাত-পা ভেঙে রেল লাইনের পাশে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে যায়। পথচারীরা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

২০১৩ সনে ১৭ ডিসেম্বর বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে পেছন থেকে অজ্ঞাতধারীরা আমার মাথায় দা দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে প্লাস দিয়ে আমার হাতের নক তুলে ফেলে। আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভেঙে চুরমার করা হয়। পরে তারা আমাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। আমি সিলেট ওসমানী হাসপাতালে দেড় মাস চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরি। পরে মামলা করলেও আমাকে উল্টো হত্যার হুমকি দেয়া হয়। আমি বিএনপির রাজনীতির করি বলে ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হওয়ায় আমার এলাকার কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করতে দেওয়া হয়নি।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী শাসনামলে আমি ও আমার পরিবারের জীবন রক্ষা করতে গিয়ে আমি আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে বাধ্য হই। এসময় কয়েকজন আওয়ামী নেতার গলায় মালা প্রদানে আমাকে বাধ্য করা হয়। এজন্য আমি আমার আদর্শ থেকে বদলাইনি। এটা ছিল বেঁচে থাকার প্রয়াস। আমার বিষয়গুলো স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীসহ অনেকেই জানেন।

Manual4 Ad Code

বর্তমানে একটি কুচক্রী মহল কিছু ভুয়া আইডি থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে তরুণলীগ বলে প্রচার করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণ লীগের ২০১৮ সালের প্যাডে মতিন নামে কোন এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেটা আমার জানা নেই। তারা মিথ্যে ও অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাকে তরুণ লীগ বলে প্রচার চালায়। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্য প্রণোদিত এসব মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code