Main Menu

কমলগঞ্জে ঊষালগ্নে সাঙ্গো হলো ঐতিব্যবাহী মণিপুরি মহারাসলীলা

Manual7 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা আর নাচ-গানের মধ্যদিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মণিপুরিদের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব মহারাসলীলা বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) ঊষালগ্নে সাঙ্গো হলো।

Manual5 Ad Code

কার্তিক মাসের পূর্ণিমা তিথিতে রাসনৃত্যের বর্ণিল এই উৎসব উপভোগ করেছেন দেশ-বিদেশের নানা শ্রেণি পেশার হাজারো লোকজন।

Manual2 Ad Code

গত বুধবার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কমলগঞ্জে হাজির হন নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। তাদের পদচারণায় সকাল থেকে মুখর হয়ে ওঠে মণিপুরি পাড়াগুলো। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘটে।

Manual2 Ad Code

উপজেলার মাধবপুর জোড়া ম-পে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি, আদমপুরের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্স মাঠে মণিপুরি মৈ-তৈ সম্প্রদায়ের আয়োজনে হয়েছে মহারাসোৎসব। রাস উৎসব ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়। বসেছিল রকমারি আয়োজনে বিশাল মেলা।

Manual8 Ad Code

মাধবপুর (শিববাজার) জোড়াম-পে মণিপুরি মহারাসলীলা সেবা সংঘের উদ্যোগে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরিদের ১৮৩তম ও আদমপুরে মণিপুরী মৈ-তৈ মণিপুরিদের ৪০তম উৎসব পালিত হয়েছে।

মাধবপুর শিববাজার উন্মুক্তি মঞ্চে বুধবার রাতে অনুিিষ্ঠত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো: ইসরাইল হোসেন।

মণিপুরি মহারাসলীলা সেবা সংঘের সাধারণ সম্পাদক শ্যাম সিংহ বলেন, মাধবপুর জোড়াম-প রাসোৎসব এ বিভাগের মধ্যে ব্যতিক্রমী আয়োজন। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের আগমন ঘটে। বর্ণময় শিল্পসমৃদ্ধ বিশ্বনন্দিত মণিপুরি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবে সবার মহামিলনে পরিণত হয়। মণিপুরিদের রাসলীলার অনেক ধরন নিত্যরাস, কুঞ্জরাস, বসন্তরাস, মহারাস, বেনিরাস বা দিবারাস। শারদীয় পূর্ণিমা তিথিতে হয় বলে মহারাসকে মণিপুরিরা পূর্ণিমারাসও বলে থাকে। তিনি আরও বলেন, এই উৎসব উপলক্ষে প্রায় ১৫-২০ দিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করেছি আমরা। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন ছিল উৎসবের নিরাপত্তায়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code