Main Menu

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো পাপুয়া নিউগিনি

Manual1 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউগিনিতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ৪ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

Manual5 Ad Code

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার পাপুয়া নিউগিনিপশ ৭ দশমিক ও ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

Manual4 Ad Code

ইউরোপভিত্তিক ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ৪৯ কিলোমিটার (৩০ দশমিক ৪৫ মাইল)।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা পৃথক এক বিবৃতিতে বলেছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল দেশটির ওয়েস্ট নিউ ব্রিটেন প্রদেশের রাজধানী কিম্বে শহরের ১৯৪ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত পোমিও জেলায়ি।

প্রথম ধাক্কা কাটার পর ৩০ মিনিটের মধ্যে অন্তত ৪টি ‘আফটার শক’ অনুভূত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। ভূকম্পনের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল ইউএসজিএস, তবে পরে তা প্রত্যাহার করেছে সংস্থাটি। ভূমিকম্পের ফলে পাপুয়া নিউগিনিতে এখনো নিহত বা আহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিকম্প একেবারে বিরল দুর্যোগ নয়। প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা ‘আগ্নেয় মেখলা’ টেকটনিক প্লেটের ওপর অবস্থানই দেশটিতে ভূমিকম্পের প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত।

Manual4 Ad Code

এর আগে গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশে এর প্রভাব অনুভূত হয়। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ৩ হাজার ৩৫৪ জন মানুষ নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর–উত্তরপশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ, ভারত, লাওস, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং চীনে।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code