Main Menu

সিলেটে সাংবাদিক তুরাব হত্যা মামলায় পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব হত্যা মামলার আসামি কনস্টেবল উজ্জ্বল সিংহাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Manual7 Ad Code

রোববার (১৭ নভেম্বর) রাতে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Manual8 Ad Code

গ্রেপ্তারের পর সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়।
আদালতের বিচারক আব্দুল মোমেন তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পিবিআই’র পরিদর্শক মোহাম্মদ মোরসালিন বলেন, কনস্টেবল উজ্জল সিনহাকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে ৫ দিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করে আদালত।

Manual3 Ad Code

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের পুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম পিপিএম (সেবা) জানান, গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল ডিএমপিতে কর্মরত ছিলেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সিলেট মহানগর পুলিশের তৎকালীন অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. সাদেক দস্তগীর কাউসার, তৎকালীন উপ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ, সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মিজানুর রহমান, কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ কল্লোল গোস্বামী, কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈন উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) ফজলুর রহমান, এসআই কাজী রিপন সরকার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সিসিকের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আফতাব উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি পিযূষ কান্তি দে, সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সিসিকের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহেল আহমদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাস অনিক, নগরীর চালিবন্দর এলাকার নেহার মঞ্জিলের বাসিন্দা শিবলু আহমদ (মো. রুহুল আমিন), নগর পুলিশের কনস্টেবল সেলিম মিয়া, আজহার, ফিরোজ, উজ্জ্বল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, “ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের মদদপুষ্ট আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরা ও অবৈধ সরকারের অপেশাদার পুলিশের দ্বারা ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আসামিরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে বাদীর নিরপরাধ ছোট ভাই সাংবাদিক আবু তাহের মো. তুরাবকে (এটিএম তুরাব) হত্যা করেন। দিনদুপুরে শত-শত মানুষের সামনে ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

Manual5 Ad Code

এজাহারে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে ২ থেকে ৫ নম্বর আসামিরা বাদীকে হত্যার হুমকি দেন। পরে আসামিরা রাষ্ট্রীয় প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাদীকে ঢাকায় নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করান।

এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। আদালতের নির্দেশে গত ৮ অক্টোবর মামলার নথিপত্র কোতোয়ালি থানা পুলিশ পিবিআই-কে বুঝিয়ে দেয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুরসালিন বলেন, আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই কাজ শুরু করেছি এবং ১ জনকে আটক করেছি, দ্রুত তদন্তকাজ শেষ করার জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে কালেক্টরেট মসজিদের পাশে সড়কে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন এটিএম তুরাব। ওইদিন সন্ধ্যায় নগরের ইবনে সিনা হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সদ্য বিবাহিত তুরাব দৈনিক নয়া দিগন্তের সিলেট প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন।

ঘটনার এক মাস পর ১৯ আগস্ট নিহতের ভাই আবুল আহসান মো. আজরফ (জাবুর) বাদী হয়ে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে প্রধান করে পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের নামোল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code