Main Menu

ময়মনসিংহে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৭

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ময়মনসিংহের সদরে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশু ও এক নারীসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সবাই অটোরিকসার যাত্রী ছিলেন।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের সদর উপজেলার আলালপুরসংলগ্ন বড়বিলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। দুর্ঘটনায় সিএনজিচালকসহ সাত যাত্রীর কেউ বেঁচে নেই। দুর্ঘটনার পর ওই সড়কে এক ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

নিহতের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছে। তারা হলেন, ফুলপুর উপজেলার রামভদ্রপুরের আশাবট গ্রামের বাবলু আহমেদ (৪৫), তার স্ত্রী শিলা আক্তার (৩৫), তাদের ছেলে মো. সাদমান (৭) এবং সিএনজিচালক আলামিন হোসেন (২৫)। তার বাড়ি ফুলপুর উপজেলার দিও গ্রামে। বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। একই পরিবারের তিনজন আত্মীয়দের জানাজায় যাচ্ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারাকান্দার দিক থেকে আসা শম্ভুগঞ্জগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি আরেকটি গাড়ি ওভারটেক করতে গিয়ে শেরপুরগামী একটি বাসের সামনে পড়ে যায়। এ সময় বাসটি চাপা দিলে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে অটোরিকশায় থাকা নারী-শিশুসহ সাত যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এদিকে দুর্ঘটনার পর দ্রুতগতির বাসটি ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে গিয়ে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আটকে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন বাসটি আটক করে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাইন উদ্দিন জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আলালপুর বড়বিলা এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই চালকসহ সাতজন মারা যান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সবার নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানান ওসি।

এদিকে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক দিদারে মোহাম্মদ মাকসুদ আলম চৌধুরী বলেন, নিহতদের দাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ঘটনার তদন্তে কমিটি করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed