Main Menu

‘টিআই’র রিপোর্টকে সঠিক গণ্যে সরকার সংশোধন হওয়া প্রয়োজন’

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী নাসির উদ্দিন, সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক  মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে জার্মান বার্লিন থেকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) এর তথ্য অনুযায়ী দুর্নীতিতে বাংলাদেশ টপ টেনে আসায় উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসন আমলে রাষ্ট্রীয় ব্যাংক সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির যে খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, তা থেকেই অনুমান করা যায়, কোন সংস্থার জরিপে নয় বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে সীমাহীন।

মন্ত্রী, এমপি ও সচিবদের বিষয় সম্পত্তির হিসাব সরকারের কাছে দাখিল করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশও উপেক্ষিত হয়েছে। ফলে দুর্নীতি দিন দিন বেড়ে চলেছে। অক্টোপাসের মত দুর্নীতিবাজরা দেশকে ঘিরে ফেলেছে।

দুর্নীতির কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার লক্ষ্যে তাদেরকে ফৌজদারী আইনে গ্রেফতার করা যাবে না বলে আইন সংশোধন করা হয়েছে।

খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎকারী দেশীয় ডাকাতদের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়নি।

বিদায়ী বছরে সরকারি বা ঠিকাদারি ক্রয়ে অস্বাভাবিক ব্যয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীদের ‘আলাদিনের আশ্চার্য কাহিনী’র সংবাদ দেশবাসী পড়েছে।

সর্বশেষে নির্বাচনী হলফনামায় মন্ত্রী ও এমপিদের অর্থ সম্পদ গত ৫ বছরে ৫ থেকে ২৫ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। যা সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন এখনো নির্বিকার।

এদিকে আওয়ামীলীগ গত ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টারান্সে নীতি ঘোষণা করলেও তা বাস্তাবয়িত হয়নি। যার ফলশ্রুতি বাংলাদেশ দুর্নীতি আজ টপ টেনে নাম লিখিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) এর রিপোর্টকে সঠিক গণ্য করে আওয়ামীলীগ সরকারকে সংশোধন হওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে বলেন, শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীদের লাগাম টেনে ধরতে পারলে কোন অপশক্তি বাংলাদেশের অগ্রগতিকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বিজ্ঞপ্তি

Share





Related News

Comments are Closed