Main Menu

সিলেট সিটিতে ভোট গণনা চলছে, মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী এগিয়ে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ বুধবার সকাল আটটায় এই সিটি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল চারটায়।

নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে যেসব কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে মেয়র পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল থেকে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

ইতিমধ্যে ১১০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সিলেট সিটি নির্বাচনে মোট কেন্দ্র ১৯০টি।

স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী ১১০ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী।

এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নৌকা প্রতীকে ৬৬ হাজার ২৫৪ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯৫০।

বুধবার (২১ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে টানা ভোটগ্রহণ। ভোট নেয়া হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে)। নির্বাচন নিয়ে তৎপর ছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন অফিসে বসে সিসি ক্যামেরায় ভোট পর্যবেক্ষণ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট সিটিতে ১৯০টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ৩৬৭টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ হয়। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৬ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৭ জন এবং ছয়জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।

সিলেট সিটিতে মেয়র পদে ৮ জন, ৪২টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ২৭৩ জন এবং ১২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির মো. নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাকের পার্টির মো. জহিরুল আলম, স্বতন্ত্র মো. আব্দুল হানিফ, মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন, মো. শাহ জাহান মিয়া এবং মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ভোটে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কা ছিল। ভোটার উপস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের যেমন চ্যালেঞ্জ ছিল, তেমনি নির্বাচন কমিশনেরও ছিল। বৈরী আবহাওয়া এবং বিএনপি-জামায়াত ভোট বর্জন করায় এ শঙ্কা প্রকট হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিত্র অনেকটা ভিন্ন লক্ষ্য করা গেছে। প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বিশেষ করে নতুন ১৫টি ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

সব কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতিও বেশি দেখা গেছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে দেখা গেছে ভোটারদের উপস্থিতি।

Share





Related News

Comments are Closed