Main Menu

সিলেটে মেডিক্যাল শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।

রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নর্থইস্ট হাসপাতাল এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে সংঘর্ষের ব্যপ্তি ছড়ায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল পয়েন্টে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, হাসপাতালের সামনে সুমাইয়া কমপ্লেক্সের নিচ তলার বাদশা টেলিকম নামক ফ্লেক্সিলোডের দোকানে নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রী সন্ধ্যার পর মুঠোফোনে রিচার্জ করেন। এসময় তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বাদশা টেলিকমের কর্মচারী রিপন আহমদ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বাকবিতন্ডা হয় এবং এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এসময় দুপক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশসহ দুপক্ষের অন্তত ৩০জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষকালে দক্ষিণ সুরমা থানার সহকারী কমিশনার (এসি) আহত হন। এছাড়াও মাইক্রোবাস ও অটোরিকশাসহ কয়েকটি দোকান ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংঘর্ষ থামাতে ফাঁকা গুলি করে এবং দুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রাত সাড়ে ১০টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ বৈঠকে বসেছেন বলে জানা গেছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ- শুরুতে বাদশা টেলিকমের কর্মচারী রিপনকে নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ানো হয়। কিন্তু এরপরও শিক্ষার্থীরা মারমুখী হয়ে হামলা করেন। তাদের মার্কেটের অনেক দোকানে ভাঙচুর চালিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এখন তারা বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

Share





Related News

Comments are Closed