Main Menu

স্বৈরাচার পতন দিবসে সিলেটে জামায়াতের আলোচনা সভা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, ৬ ডিসেম্বর জাতীয় জীবনের স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন। তীব্র আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের এই দিনে পদত্যাগ করে অস্থায়ী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদ। ফলে অগণতান্ত্রিক ও গণবিরোধী শক্তির ৯ বছরের অপশাসন-দুঃশাসনের অবসান হয় এবং গণতন্ত্রও সাময়িকভাবে মুক্তি লাভ করে। কিন্তু আমাদের দেশের গণতন্ত্র আজও রাহুমুক্ত হয়নি। ভোটাধিকার হরণ করে বন্দুকের নলের জোরে ক্ষমতায় থাকা ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। তারা দেশে গণতন্ত্রের নামে জনগণের সাথে পরিহাস করছে। দেশের বর্তমান গণতন্ত্র ’৯০ পূর্ব পরিস্থিতির চেয়ে আরো অবনতিই ঘটেছে। তাই বিধ্বস্ত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আবারো ’৯০-এর চেতনায় দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসকরা সবসময় অবৈধ, অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতায় আসে। সাময়িক সুবিধা লাভ করলেও তাদের ক্ষমতা কখনোই স্থায়ী হয় না। ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মাধ্যমে জেনারেল এরশাদের লজ্জাজনক পতন তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে স্বৈরাচার পতন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শাকুরের সভাপতিত্বে ও মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রবের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, মাওলানা মুজিবুর রহমান ও রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, সামরিক আইন জারির মাধ্যমে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ ক্ষমতা দখল করেন তৎকালীন সেনাপ্রধান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তিন জোটের যুগপৎ ও তীব্র আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার এরশাদ ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। আর এই আন্দোলনকে সফল করার জন্য ডা: শামসুল আলম খান মিলন, নূর হোসেনসহ অনেককে প্রাণ দিতে হয়। কিন্তু শহীদদের স্বপ্নের গণতন্ত্র আজও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেনি। শহীদদের স্বপ্নের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আবারো সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে।

0Shares





Related News

Comments are Closed