Main Menu

সিলেটে বিএনপি নেতা কামাল হত্যা, আরও ২ আসামি গ্রেপ্তার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ ফ ম কামাল হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরের বাদামবাগিচা এলাকার বাসিন্দা মাসুকের ছেলে মিশু (২৬) ও গোয়াইপাড়ার মৃত নুর মিয়ার ছেলে মনা (২৫)। মিশু মামলার এজাহারনামীয় ৪নং এবং মনা ৬নং আসামি।

বৃহস্পতিবার র‍্যাব-৯ এর গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা সিনিয়র এএসপি আফসান আল আলম জানান, বুধবার সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার নোয়াখালি বাজারের একটি বাড়ি থেকে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের সিলেট বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

এরআগে মঙ্গলবার রাতে এই হত্যা মামলার আরেক আসামি কুটি মিয়াকে গ্রেপ্তার করে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।

গত রোববার (৬ নভেম্বর) রাতে নগরের বড়বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খুন হন আ ফ ম কামাল। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধে কামাল খুন হয়েছেন।

হত্যাকান্ডের প্রায় ৪৯ ঘন্টা পর মঙ্গলবার রাতে নিহতের ভাই মইনুল হক বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছাত্রলীগ কর্মী আজিজুর রহমান সম্রাটকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামোল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আসামি আছেন আরও পাঁচ-ছয়জন।

মামলার আসামিরা হলেন- বিশ্বনাথের লামাকাজি এলাকার আজিজুর রহমান সম্রাট, একই এলাকার মো. হাফিজ, আম্বরখানা বড়বাজার এলাকার শাকিল আহমদ, বাদাম বাগিচা এলাকার মিশু, গুয়াইপাড়া এলাকার কুটি, একই এলাকার মনা, বিশ্বনাথের আব্দুল আহাদ, খাদিম দাসপাড়ার মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, সদর উপজেলার রায়েরগাওয়ের আশরাফ সিদ্দকী ও লালারগাওয়ের রুহুল আমিন শাওন।

মামলার এজাহারে মইনুল হক অভিযোগ করেন, আম্বরখানার মান্নান সুপার মার্কেটে তাদের ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে লাহিন আহমদের ‘লাহিন এয়ার ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস’ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত ১৯ অক্টোবার আসামিরা এসে এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর চালায়। এখবর পেয়ে কামাল ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের ভাংচুর চালাতে নিষেধ করেন।

মইনুল হক এজাহারে লেখেন- এসময় দুপক্ষের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। আসামিরা সেদিন প্রকাশ্যে আমার ভাইকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এর জের ধরে ৬ নভেম্বর রাত ৮ টার দিকে আমার ভাই সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ ফ ম কামাল সিলেট বিমানবন্দর এলাকা থেকে আম্বরখানা বড়বাজার হয়ে গোয়াইটুলার দিকে যাচ্ছিলেন। তার গাড়িকে অনুসরণ করছিল দুটি মোটরসাইকেল। প্রথমটিতে আরোহী ছিলেন তিনজন। পরে আরেকটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি বড়বাজার ১১৮নং বাসার সামনে কামালের গাড়ির গতিরোধ করে। পরে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে খুনিরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা কামালকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Share





Related News

Comments are Closed