Main Menu

সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে রবি’র কনসার্ট সংস্কৃতিকর্মীদের বাধায় পণ্ড

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে মোবাইল কোম্পানি ‘রবি’ আয়োজিত বাণিজ্যিক কনসার্ট সংস্কৃতিকর্মীদের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে।

Manual1 Ad Code

সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে এই কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল। প্রচার করা হয়েছিল এতে একজন চিত্রনায়ক সহ কয়েকজন নামীদামী কণ্ঠশিল্পী অংশ নেবেন। তাই পুরোদমে প্রস্তুতি চলতে থাকে।

কিন্তু সকালেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সংগঠক নিরঞ্জন দে যাদুর একটি পোস্ট সুমাপারের সংস্কৃতি অঙ্গনে তীব্র উত্তাপ ছড়িয়ে দেয়। যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় সাংস্কৃতিক সংগঠকদের মাঝে। কারণ পবিত্র শহিদমিনারে বাণিজ্যিক আয়োজন হতে দেওয়া যায়না। আগেও করতে দেওয়া হয়নি।

একপর্যায়ে সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী যোগাযোগ করেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সভাপতি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আল আজাদের সঙ্গে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি শামসুল আলম সেলিমও সরাসরি কথা বলেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আল আজাদ যোগাযোগ করেন ভারপ্রাপ্ত সিসিক মেয়র তৌফিক বক্স লিপনের সঙ্গে। তিনি জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন কোন প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে বাণিজ্যিক অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি। অনুষ্ঠানের ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন।
আরও জানান, মেয়র চিকিৎসা শেষে সকালে দেশে ফিরেছেন।

আল আজাদ ফোনে কথা বলেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বিষয়টি জেনেই প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নিশ্চয়তা দেন, কোনভাবেই এরকম অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হবেনা।

Manual3 Ad Code

কয়েক মিনিট পর ফিরতি ফোনকলে মেয়র জানান, সিসিকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান অনুষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে যাচ্ছেন।

Manual3 Ad Code

অন্যদিকে সাংস্কৃতিক সংগঠক এনামুল মুনীর ও নিরঞ্জন দে যাদু সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে পৌঁছে যান। পৌঁছেন আল আজাদও। এরপর এক এক করে পৌঁছেন সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের বিভাগীয় প্রতিনিধি শামসুল আলম সেলিম, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি গুপ্ত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল বাসিত শেরো ও সংস্কৃতিকর্মী কমলজিৎ শাওনসহ কয়েকজন। বিক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষও ভিড় জমান।

সিসিকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, আয়োজকরা নিয়ম অনুযায়ী সিলেট সিটি করপোরেশন থেকে কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে অনুষ্ঠান করার কোন অনুমতি নেননি।
শেষপর্যন্ত আয়োজকরা তল্পিতল্পা গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন।

অন্যদিকে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনার পুত-পবিত্রতা ধরে রেখে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে থাকে।

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code