Main Menu

চা শ্রমিকের কর্মবিরতির ১৭তম দিন অতিবাহিত

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরীর দাবীতে চা শ্রমিকের আন্দোলনের আজ বৃহস্পতিবার ১৭তম দিন অতিবাহিত হলেও সমাধানের কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

এদিকে এই ১৭ দিনে বিভিন্ন ভাবে শ্রম অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের সাথে তিন দফা বৈঠক হওয়ায় পরও কোন সমাধান হয়নি।

সাধারণ শ্রমিকদের একটাই দাবী ৩শ টাকা মজুরি দিতে হবে এবং সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ঘোষনা করতে হবে। তারা কোন মস্ত্রী, এমপি, শ্রমিক নেতা কারো কথা তারা বিশ্বাস করছেন না।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিকরা মিছিল করে মৌলভীবাজার শহরের গুরুত্বপুর্ন পয়েন্ট প্রদক্ষিন করে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক সড়ক বেরিপাড় চৌমুহনা কিছু সময়ের জন্য অবরোধ করে রাখে শ্রমিকরা। এতে দু’পাশে শত শত যানবাহণ আটকা পড়ে এবং যানবাহনে নারী, শিশু, রোগীসহ হাজারও মানুষকে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পরে পুলিশ এসে শ্রমিকদের বুঝিয়ে স্থান ত্যাগ করায়।

এদিকে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি টান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ টিআইবি’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) শ্রীমঙ্গল এর সভাপতি দ্বীপেন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, ‘৩শ টাকা দাবীর প্রতি তিনি পুর্ণ সমর্থন করেন, চা-শ্রমিকদের জীবন-জীবিকার যে আন্দোলন তিনি পুর্ণ সমর্থন করেন। তিনি আরো জানান, কোন সুবিধাবাদী যেন তাদের কোন মিস গাইড না করে এবং বিপথে না নেয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান জানান’।

এতদিনে মজুরীর দাবী না মানার কারণ জানতে চাইলে, তিনি আরো বলেন, এখানে কারসাজি চলছে, ষড়যন্ত চলছে এবং যুবকদের আনা হচ্ছে, তাদের পক্ষে-বিপক্ষ তৈরী হচ্ছে। তাই তারা কারো প্রতি আস্তা রাখতে পারছেনা বলে এই সমস্যার সৃস্টি হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট রাতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের সাথে এক বৈঠকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী আসন্ন দূর্গাপুজার আগে নতুন মজুরি ঘোষনা করবেন। তার আগ পর্যন্ত চলমান ১২০ টাকা মজুরী রেখেই কাজে যোগ দেয়ার অনুরোধ করা হয় চা শ্রমিকদের। সেই প্রস্তাব মেনে প্রথমে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও একদিন পর আবারও কর্মবিরতিতে নামেন শ্রমিকরা। এসময় শ্রমিক নেতা ও প্রশাসনসহ ৫ দফা যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছিলন।

Share





Related News

Comments are Closed