Main Menu

সুনামগঞ্জে ৪ জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার, নিন্দা ও মুক্তির দাবী

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৪ জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৩১ জুলাই) দিবাগত ভোর রাতে এবং সোমবার দিনের বেলা পৃথক অভিযানে জামালগঞ্জ ও ছাতক উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জামালগঞ্জ উপজেলা আমীর মো: হাবিবুর রহমান, ছাতক উপজেলা আমীর মাওলানা আলী আকবর, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জামালগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারী তারেকুল ইসলাম ও ছাতক উপজেলার সৈদেরগাও ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি জুনেদুর রহমান।

এদিকে কোন মামলা ছাড়াই সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ৪ জামায়াত নেতাকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াত নেতৃবৃন্দ। অবিলম্বে নিরপরাধ জামায়াত নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি ও বাসা বাড়ীতে গ্রেফতারের নামে পুলিশী অভিযান বন্ধের দাবী জানান তারা।

সোমবার এক বিবৃতিতে সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, নায়েবে আমীর এডভোকেট মোঃ শামস উদ্দিন আহমদ ও সেক্রেটারী মোমতাজুল হাসান আবেদ বলেন, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বৃহত্তর সুনামগঞ্জ জেলায় বন্যার শুরু থেকে জামায়াত বন্যাদূর্গতদের জন্য কাজ করে আসছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে জামায়াত সাধ্যের সবটুক সামর্থ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এসব জনকল্যাণমূল কাজ ক্ষমতাসীন সরকার পছন্দ করেনি। তাই কোন কারণ বা মামলা ছাড়াই ৪ জন জামায়াত নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাসা বাড়ীতে পুলিশী অভিযান চালানো হচ্ছে। এতে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে।

তারা বলেন, দেশে নিত্যপণ্যের উর্ধ্বগতিতে জনজীবন অতিষ্ঠ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে মহাবিপর্যয় নেমে এসেছে। সারাদেশের ন্যায় জামালগঞ্জ ও ছাতকে জামায়াতের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালিত হয়েছে। মিছিল সমাবেশ যে কোন নাগরিকের মৌলিক অধিকার। মিছিল দেয়ার কারণে কাউকে গ্রেফতার প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। কোন স্বৈরাচারী সরকারের শেষ পরিনতি ভালো হয়নি। এই সরকারকেই ফ্যাসিবাদী শাসনের জন্য চরম মূল্য দিতে হবে। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ৪ জামায়াত নেতাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন ও হামলা-মামলা, গ্রেফতার ও পুলিশী অভিযানের পথ পরিহার করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান তারা।

 

Share





Related News

Comments are Closed