Main Menu

সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরণে জাবি ছাত্রলীগের দুঃখপ্রকাশ

জাবি প্রতিনিধি: ক্যাম্পাসে কর্মরত এক সাংবাদিককে হেনস্তা ও ফোনে কারো ব্যক্তিগত তথ্য তল্লাশীর অধিকার কারো নেই উল্লেখ করে ছাত্রলীগ কর্মীদের এমন আচরণে বিব্রত ও অনুতপ্ত জানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ এবং ভবিষ্যতে এমন কিছু হবে না বলে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) জাবি প্রেসক্লাব কক্ষে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন এসব কথা বলেন।

এর আগে, সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলাভবন সংলগ্ন মুরাদ চত্ত্বরে বসে কথা বলছিলেন ইংরেজি বিভাগের ৪৮ ব্যচের শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী হামিদুল্লাহ সালমান ও সাংবাদিক ফরিদুর রেজা। এ সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা সেখানে গিয়ে হামিদুল্লাহকে চত্ত্বর সংলগ্ন যাত্রী ছাউনির পেছনে নিয়ে যান এবং বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে সেখান থেকে হামিদুল্লাহকে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ফরিদুর রেজা। সেখানে সাংবাদিক পরিচয় দেয়া সত্ত্বেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তার ফোন তল্লাশী করা শুরু করেন। পরে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন সেখানে উপস্থিত হন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফরিদুর রেজা খান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের (৪৯তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা মেইলের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। তিনি জাবি প্রেসক্লাবের সহযোগী সদস্য।

এ ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে ছাত্রলীগ সভাপতি আখতারুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘ছাত্রদল কর্মী সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সাংবাদিক রেজা তাকে বের করে আনার চেষ্টা করে। এতে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে নেতাকর্মীরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে৷ ঘটনার আকস্মিকতায় আমাদের কিছু করার ছিল না। পরে জাবি প্রেসক্লাবের সভাপতির উপস্থিতিতে তাকে সসম্মানে ছেড়ে দেয়া হয়৷’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সাংবাদিকের ফোন বা ব্যক্তিগত তথ্য তল্লাশী করার অধিকার কারো নেই। ছাত্রলীগের কিছু অতি উৎসাহী কর্মীদের এমন আচরণে আমরা বিব্রত এবং অনুতপ্ত। এ ঘটনার জন্য ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ সবসময় সাংবাদিকবান্ধব। ভবিষ্যতেও সাংবাদিকদের সাথে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

Share





Related News

Comments are Closed