Main Menu

সুনামগঞ্জে মানুষ ঠাই নেয়ার জন্য ছুটছেন আশ্রয় কেন্দ্রে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জে মহা প্লাবন, হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী, মানুষ একটু আশ্রয়ের জন্য ছুটাছুটি করছেন বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে। গত ১৬ জুন বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মানুষের ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে গত ১৭ জুন শুক্রবার জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার শতভাগ বাড়িঘর পানির মাঝে থৈ থৈ করছে। মানুষজন আকষ্মিক মহা প্লাবন দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মানুষের মহা-মূল্যবান জিনিষপত্র, অফিসিয়াল কাগজাদি, আসবাবপত্র, ধান, চাল, হাঁস- মুরগ, গবাদি পশু, ফ্রিজ, পানির পাম্প, ফার্নিচার, দোকানের মালামাল সহ অনেক কিছুই বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ নিজের জীবন বাজী রেখে পরিবারের লোকজনদের জীবন রক্ষার্থে আশ্রয় কেন্দ্রে একটু ঠাই নেয়ার জন্য ছুটাছুটি করে আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় নিয়েও তাদের শান্তি নেই, সেখানে নেই খাবার, নেই পানি, নেই বিদ্যুৎ, নেই মোবাইলে চার্জ, যদিও কারো মোবাইলে থাকে চার্জ কিন্তু নেটওয়ার্ক নেই। মোবাইলে চার্জ না থাকায় দেশে-বিদেশে থাকা আত্মীয় স্বজন নিতে পারছেননা নিকট আত্মীয় বন্ধু-বান্ধবের খুজ খবর। রয়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে পানি, গাড়ী চলাচল বন্ধ। খুজ খবর নিতে না পারায় আত্মীয় স্বজনরা রয়েছেন মহা চিন্তায়। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন তারা অনেকেই জানান আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়ে খাওয়ার অভাবে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায় অনেকেই রাস্থায় গাড়ীতে তাবু টাঙ্গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের রান্নার কোন ব্যবস্থা নেই, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবসায়ীরা ১ হাজার ৩ শত টাকা মূল্যের সিলিন্ডার গ্যাস ২ হাজার ৫শত টাকায় বিক্রি করছেন। পাশা পাশি বাজারে শুকনা খাবারও পাওয়া যাচ্ছেনা। তাদের দাবী সরকার বাহাদুরের প্রতি এবং কোন হৃদয়বান মানূষ যদি প্রতিদিন প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে ২ বেলা খাবার দেন, তাহলে মানুষের জীবন বাঁচবে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক আহমদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনোয়ার উজ জামান, পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত রাজনৈতিক কর্মকর্তা হাসনাত হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নুর হোসেন বানবাসীদের সার্বক্ষনিক খুজ খবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed