সিলেটে সাড়ে ৫শ শিক্ষা প্রতিষ্টানে ঢুকেছে বন্যার পানি, পাঠদান বন্ধ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট জেলায় সাড়ে ৫শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকেছে বন্যার পানি। এছাড়া ২শ’র মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। ফলে জেলার অন্তত সাড়ে ৭শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১০ মে) রাত থেকে সিলেটে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। এখনও চলছে। একই সঙ্গে উজান থেকে নামছে ঢল। ফলে সিলেটের ছয় উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও মহানগরীর প্রায় অর্ধেক এলাকা এখন বন্যাকবলিত।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় মহানগরীসহ সিলেট জেলার সাড়ে ৫শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। তবে সরকারিভাবে স্কুল-কলেজ-মাদরাসা বন্ধের কোনো নির্দেশনা এখনও আসেনি।
জেলার শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া পানি নামার সময় আরও দু-একটি উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একই দশা হতে পারে।
সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ১ হাজার ৪৭৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে বুধবার (১৮ মে) দুপুর পর্যন্ত ৪০০টি পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত এরশেদ বলেন, ‘যেসব বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে, সেগুলোতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। পানি বাড়ার কারণে নতুন করে আরও প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বন্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। জেলার সব বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আসেনি। যে বিদ্যালয়গুলোতে এখনও পানি ওঠেনি, সেগুলোকে প্রয়োজনে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।’
এদিকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রায় দেড় শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পানি উঠেছে। এগুলোতেও পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, পানি বাড়ার কারণে প্লাবিত বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ছে। এগুলোতে আপাতত পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। এখনও পানি না ওঠা অনেক বিদ্যালয়েও বন্ধ রয়েছে পাঠদান। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৯৯টি ও নগরে ১৭টি বিদ্যালয়কে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলার অন্তত ২০টি কলেজ প্লাবিত হয়ে পড়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
Related News
জৈন্তাপুরে ৫ দিনের অস্থায়ী পশুর হাট দেড় মাস পরও বহাল
Manual8 Ad Code জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল বাজার টি ৫দিনের জন্য অস্থায়ী কুরবানীরRead More
বিয়ানীবাজারে পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে খুন, দুই ভাই গ্রেফতার
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজারে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকেRead More



Comments are Closed