Main Menu

জাফলংয়ে পর্যটকদের উপর স্বেচ্ছাসেবীদের হামলা, আহত ৬

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র জাফলংয়ে পর্যটকদের উপর হামলা চালিয়েছে টোল কাউন্টারের স্বেচ্ছাসেবীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে লাঠি নিয়ে শিশু, নারী ও পুরুষসহ ৬ পর্যটকের উপর হামলা চালায় তারা।

উপজেলা প্রশাসনের টোল কাউন্টার থেকে টিকেট কেনাকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের উপর এই অতর্কিত হামলা চালিয়েছে স্বেচ্ছাসেবকরা।

ঘটনার সময়কার বেশকিছু ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

এরকম একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবক লেখা নীল ইউনিফর্ম পরা ৩ জন হাতে লাঠি নিয়ে একদল পর্যটকদের বেধড়ক পেটাচ্ছেন। এসময় ওই দলে থাকা কিছু নারী পর্যটক তাদেরকে থামাতে গিয়ে লাঞ্চিত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সিলেট থেকে একটি পরিবার জাফলংয়ে বেড়াতে যান। টিকেট কেনাকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের সাথে কাউন্টারের লোকদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে শিশু, নারী ও পুরুষসহ কমপক্ষে ৬ পর্যটকের উপর হামলা চালায় কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক।

পরে স্থানীয় ও অন্যান্য পর্যটকরা এগিয়ে এসে হামলাকারীদের সরিয়ে দিয়ে পর্যটকদের উদ্ধার করেন।

এদিকে, জাফলংয়ে পর্যটকদের উপর হামলাকারী তিন স্বেচ্ছাসেবককে বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসাথে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

আটককৃত দুই স্বেচ্ছাসেবী

হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাহমিলুর রহমান বলেন, ‘পর্যটকদের ওই দলটি টিকিট ছাড়াই জাফলং এলাকায় ঢুকতে চাইলে টিকিট কাউন্টারের এখানে থাকা স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবকরা পর্যটকদের উপর হামলা চালায়।’

এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে আমাদের পর্যটনের অনেক ক্ষতি হলো। যেহেতু হামলাকারীরা আমাদের নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক, তাই আমি দায় নিচ্ছি। ইতিমধ্যেই ৩ জন স্বেচ্ছাসেবককে বরখাস্ত করেছি এবং স্থানীয় পুলিশকে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলেছি,’ বলেন তিনি।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা হামলাকারী স্বেচ্ছাসেবকদের চিহ্নিত করেছি, তাদেরকে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

 

Share





Related News

Comments are Closed