Main Menu

সিলেটে ১০০ পিস চোরাই মোবাইলসহ গ্রেপ্তার ৩

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট শহরতলীর শাহপরাণ (রহঃ) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানে ১০০ পিস ভারতীয় চোরাই মোবাইল নিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীর ছেলে ও ভাতিজা সহ ৩ চোরাচালান কারবারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ধৃত আসামীরা হচ্ছে, জৈন্তাপুর উপজেলার মোকাম পুঞ্জি এলাকা ও উপজেলা আওমীলীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীর ছেলে মোঃ জাফর সাদেক জয় আলী (২২) ও একই উপজেলার বাউর ভাগ এলাকার ইসমাইল আলীর ছেলে মোঃ আক্তার হোসেন (২২) এবং তাদের গাড়ি চালক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পাঠান টিলা এলাকার মৃত জমির আলীর ছেলে মোঃ লিমন মিয়া (২৮)।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, শাহপরাণ (রহঃ) থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আনিসুর রহমান ও শাহপরাণ (রহঃ) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সারোয়ার হোসেন ভূইয়ার দিকনির্দেশনায় শাহপরাণ (রহঃ) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের টুআইসি এসআই (নিঃ) উত্তম রায়ের নেতৃত্ব এএসআই কামাল হোসেন, এএসআই সব্যসাচী দাসসহ পুলিশের একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাচাললান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উক্ত থানাধীন পিরেরবাজার বাজারস্থ শাহ সুন্দর রেষ্টুরেন্টের সামনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার (যার নং- ঢাকা মেট্রো- গ-২১০৬৫০) আটক করে গাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে ১০০ পিস বিভিন্ন মডেলের ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই মোবাইল সেটগুলোর কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি তারা।

ধৃত আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে বিশেষ কৌশলে ভারতীয় চোরাই মোবাইল সংগ্রহ করে সিলেট নগরীর করিমউল্লাহ মাকের্টের ব্যবসায়ী তাদের অপর সহযোগী মোঃ শিপলু নিকট বিক্রয় করার জন্য নিয়ে আসছিল।

ধৃতদের থেকে উদ্ধারকৃত ১০০ পিস ভারতীয় চোরাই মোবাইল যার মূল্য অনুমান ১২ লাখ ৫১ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় শাহপরান থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) উত্তম রায় চৌধুরী বাদি হয়ে ধৃত তিনজনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার ও একজনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে এসআই উল্লেখ করেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন এই ফোন সেটগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে এসেছেন। সিলেট নগরের করিমউল্লাহ মার্কেটের মো. শিপলু নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা।

মামলার এজাহারে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের সাথে শিপলুকেও আসামি করা হয়। মোবাইল হ্যান্ডসহ তাদের প্রাইভেটকারটিও জব্দ হিসেবে এজাহারে দেখানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াতক আলী তার ছেলে জয়কে চোরাচালানে সহযোগিতা করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

জয়সহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনুসুর রহমান বলেন, মামলা দায়েরের পর শুক্রবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed