Main Menu

সিলেটে ঢিলেঢালা হরতাল পালিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সারা দেশের মত সিলেটেও আজ সোমবার বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকা অর্ধদিবস হরতাল পালিত হয়েছে। তবে সিলেটে নাগরিক জীবনে হরতালের তেমন কোন প্রভাব পড়েনি।

সরেজমিন দেখা যায়, হরতালের কারণে আজ সকালে সিলেট নগরীতে অন্যান্য দিনের তুলনায় যান চলাচল কিছুটা কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ছাড়া নগরের অভ্যন্তরে বিভিন্ন বিপণিবিতান ও দোকানপাট কিছুটা দেরিতে খুলতে দেখা যায়।

এদিকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ বাম জোটের নেতা-কর্মীরা সুরমা মোড় এলাকা থেকে হরতালের সমর্থনে মিছিল নিয়ে কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় গেলে ওই সময় সড়কে থাকা যানবাহনগুলো সড়িয়ে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বাম জোটের নেতা-কর্মীরা সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বাম গণতান্ত্রিক জোট সিলেট জেলার সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাছান, বাসদের (মার্কসবাদী) জেলা আহ্বায়ক উজ্জ্বল রায়, বাসদের জেলা সমন্বয়ক আবু জাফর, বাসদের জেলা সদস্য প্রণব জ্যোতি পাল।

এদিকে সমাবেশের খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় পুলিশের একটি টহল দল অবস্থান করে। এ সময় হরতাল সমর্থনকারীরা পুলিশের মুখোমুখি অবস্থান করে স্লোগান দিতে থাকেন। তবে কিছুক্ষণ পরই হরতাল সমর্থনকারীরা কোর্ট পয়েন্ট এলাকা ত্যাগ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশও ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

এদিকে, সমাবেশে বক্তারা বলেন, চাল-ডাল-পিঁয়াজ-সিলিন্ডার গ্যাসসহ অতি জরুরি খাদ্যদ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের যা দাম বেড়েছে দেশে তার তুলনায় অনেক বেশি দাম বাড়ানো হয়েছে। আর গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানো হচ্ছে পুরোপুরি খামখেয়ালিভাবে। এসব খাতের চুরি, দুর্নীতি, লুটপাট আর অব্যবস্থাপনার দায় চাপানো হচ্ছে ভোক্তাদের ওপর। আসলে সরকার ও অসৎ ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। কথিত উন্নয়নের কথা বলে নিজেদের চুরি, দুর্নীতি ও লুটপাটকে আড়াল করার চেষ্টা করছে তারা। এভাবে সঙ্কীর্ণ স্বার্থে দেশ ও জনগণকে তারা অনিশ্চিত অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া মুক্তি নেই।

Share





Related News

Comments are Closed