Main Menu
শিরোনাম
সিলেটের ৬ উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ         তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় কয়লার চালান জব্দ         দিরাইয়ে জুমার নামাজে এসে মারা গেলেন মুসুল্লি         সিলেটে ডায়রিয়ার প্রকোপ, ৭ দিনে আক্রান্ত সাড়ে ৫শ’         কুলাউড়ায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ২         পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের ত্রাণ বিতরণ         গোয়াইনঘাটে বন্যার্তদের মাঝে বিএনপির ত্রাণ বিতরণ         জিয়ার ৪১তম শাহাদাতবার্ষিকীতে সিলেটে বিএনপির ২দিনের কর্মসূচী         হবিগঞ্জে মন্ত্রীপরিযদ সচিব ও সাবেক তথ্য সচিব         দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা         সিলেটে ভূমি নিয়ে বিরোধে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০         সিলেটে বন্যায় ক্ষতি ১১০০ কোটি টাকা, বেশি ক্ষতি সড়ক, কৃষি ও মাছের        

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাস রোগীদের স্টেরয়েড দেওয়া বন্ধ করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ রোগ চিকিৎসায় রোগীভিত্তিক নির্দেশনা পর্যালোচনা করে ভারতীয় সরকার এমন পরামর্শ দিয়েছে।

সংশোধিত নির্দেশনা বলছে, খুবই আগেভাগে কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করলে স্টেরয়েডের মতো ওষুধে মিউকরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাকের মতো আনুষঙ্গিক সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।-খবর এনডিটিভির

মৃদু, মাঝারি ও মারাত্মক উপসর্গের সংক্রমণ দেখা দিলে প্রয়োজনীয় ওষুধের ডোজ নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দুই কিংবা তিন সপ্তাহের বেশি কাশি স্থায়ী হলে রোগীদের উচিত যক্ষ্মা কিংবা অন্যান্য রোগের জন্য পরীক্ষা করা।

গত সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলনে স্টেরয়েডের মতো ওষুধের অতিরিক্ত ও অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় কোভিড টাস্কফোর্সের প্রধান ডা. ভি কে পল।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, দম কিংবা অক্সিজেনের ঘাটতি ছাড়া শরীরের উপরিভাগের শ্বাসপ্রশ্বাস অঙ্গের উপসর্গকে মৃদু রোগ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। যারা এভাবে আক্রান্ত হবেন, তাদের আইসোলেশনে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

মৃদু উপসর্গ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর শ্বাস নিতে কষ্ট, অতিমাত্রায় জ্বর ও মারাত্মক কাশি পাঁচদিনের বেশি স্থায়ী হলে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

যাদের শ্বাসকষ্ট আছে, অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ থেকে ৯৩-এর মধ্যে ওঠানামা করছে, তারা হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেন। তাদের মাঝারি মাত্রার রোগী হিসেবে বিবেচনা করে অক্সিজেন দিয়ে সহায়তা করা উচিত।

যাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের হার প্রতি মিনিটে ৩০, কক্ষের বাতাসে শ্বাসকষ্ট ও অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশের নিচে, তাদের রোগ মারাত্মক বলে ধরে নেওয়া যায়। শ্বাসপ্রশ্বাসে সহায়তা ছাড়াও তাদের আইসোলেশনে নিয়ে যাওয়া উচিত।

0Shares





Related News

Comments are Closed

%d bloggers like this: