বিশ্বনাথের সিরাজুল ইসলাম বীরপ্রতিক আর নেই
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : জাতির সূর্যসন্তান, মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখায় রাষ্ট্রীয় ‘বীরপ্রতিক’ খেতাবপ্রাপ্ত বিশ্বনাথের কৃতিসন্তান সিরাজুল ইসলাম আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।
আজ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটের সময় সিলেট নগরীর সুবিদ বাজার বনকলা পাড়ার নিজ বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার গ্রামের বাড়ি বিশ্বনাথের দেওকলস ইউনিয়নের আগ্নপাড়ায়।
ব্যক্তিগত জীবনে ৫ সন্তানের জনক সিরাজুল ইসলাম বীরপ্রতিক দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভোগছিলেন। এরমধ্যে তার ব্রেনস্ট্রোকও হয়।
বীর প্রতীক সিরাজুল ইসলাম বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের আগ্নপাড়া গ্রামে ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মরহুম আলফু মিয়া শিকদার ও মা মোছা. মরহুমা ছবরুন নেছা। সিরাজুল ইসলাম দেওকলস প্রাইমারি স্কুল থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। বিশ্বনাথ রামসুন্দর অগ্রগামী উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে এসএসসি, মৌলভীবাজার কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে এইচএসসি এবং সিলেট এমসি কলেজ থেকে ১৯৭৩ সালে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি সিলেট ল’কলেজে ভর্তি হন।
সিরাজুল ইসলাম ১১ দফা ও ৬৯ এর গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৬৯-৭০ শিক্ষা বর্ষে এমসি কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি এবং সিলেট ছাত্র ইউনিয়নের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনযজ্ঞে মেতে উঠলে বীরপুরুষ সিরাজুল ইসলাম বর্বর পাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে জীবন-মরণ সংগ্রামে লিপ্ত হন।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় এবং পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের পুরোভাগে থেকে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।
Related News
কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচার দেনাপাওনা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেRead More
বিশ্বনাথে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কছির আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকেRead More



Comments are Closed