Main Menu

অস্ট্রিয়ায় ফের লকডাউন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়ায়ই প্রথম ফের লকডাউন আরোপ করতে যাচ্ছে। মহামারির সংক্রমণের নতুন ঢেউ সামাল দিতে সোমবার (২২ নভেম্বর) থেকে দেশটিতে লকডাউন দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সেখানকার সরকার এমন ঘোষণা দিয়েছে। আগামী পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটির সব নাগরিকের জন্য টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হবে।

বলতে গেলে অস্ট্রেলিয়ার দুই-তৃতীয়াংশ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এই হার সবচেয়ে কম। টিকা নিয়ে দেশটির অধিকাংশ নাগরিক সন্দিহান। পার্লামেন্টের তৃতীয় বৃহৎ দল উগ্র-ডানপন্থী ফ্রিডাম পার্টিও এমন দৃষ্টিভঙ্গিকে উৎসাহিত করছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে নেওয়া পদক্ষেপের বিরুদ্ধ শনিবার দলটির বিক্ষোভ করার কথা রয়েছে।

যারা পরিপূর্ণ টিকা গ্রহণ করেনি, তাদের জন্য সোমবার থেকে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রিয়া। কিন্তু সংক্রমণ নতুন নতুন রেকর্ড স্পর্শ করছে। মহাদেশটির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব ঘটছে সেখানে। গেত সাত দিনে প্রতি এক লাখে ৯৯১ জন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার শ্যালেনবার্গ বলেন, করোনার টিকা নিতে আমরা যথেষ্ট মানুষকে আগ্রহী করে তুলতে পারিনি। কাজেই সোমবার থেকে লকডাউন শুরু হয়ে আগামী ২০ দিন তা স্থায়ী হবে।

পুরো ইউরোপজুড়ে এখন ঠাণ্ডা আবহাওয়া বইছে। এতে করোনার সংক্রমণ বন্ধ করতে অজনপ্রিয় হলেও লকডাউন আরোপ করতে বাধ্য হচ্ছে সরকারগুলো। নেদারল্যান্ডসেও আংশিক লকডাউন চলছে। সেখানের বার ও রেস্তোরাঁগুলো রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করে দিতে বলা হয়েছে।

পশ্চিম অস্ট্রিয়ার একটি রিসোর্টে অস্ট্রিয়ার ৯টি প্রদেশের গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠকের পর শ্যালেনবার্গ বলেন, আমরা করোনার পঞ্চম ঢেউ চাই না। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলফগ্যাং ম্যাকেস্টেইন বলেন, করোনার লাগাম টানতে লকডাউন সর্বশেষ উপায়।

লকডাউনে অস্ট্রিয়ার জনগণকে বাড়িতে থেকে কাজ করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দোকানপাট বন্ধ থাকবে। শিশুদের জন্য স্কুল খোলা থাকবে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর লকডাউনের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed