Main Menu

সম্পত্তি দখলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন কুলসুমা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট নগরীর ঘাসিটুলা এলাকার মৃত রিয়াজ উল্লাহর স্ত্রীকে একজন মিথ্যাবাদী, প্রতারক ও মামলাবাজ মহিলা হিসাবে উল্লেখ করে তার বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য নিজের এলাকা ও সিলেটবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন একই এলাকার মৃত হায়াত উল্লাহর ছেলে জসিম উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রাণি করছেন কুলসুমা। এ অবস্থায় কুলসুমার অত্যাচার ও হয়রাণি থেকে নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদের রক্ষায় প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে জসিম উদ্দিন এ আহবান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জসিম উদ্দিন বলেন, গত ২৭ অক্টোবর কুলসুমা বেগম ও তার মেয়ে নাছিমা বেগম সংবাদ সম্মেলনে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার চালিয়েছেন। তিনি হঠাৎ করে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে দাবি করলেও মুক্তিযোদ্ধার কোন তালিকায়ই তার পিতার নাম নেই। তিনি ৩৪/৩৫ বছর ধরে বিভিন্ন মামলা চালিয়ে গেলেও কখনো মুক্তিযোদ্ধা সন্তান বলে কোথাও উল্লেখ করেন নি। এখন আমাদের অযথা হয়রানি ও সবার সহানুভূতি পেতে এই দাবি তুলছেন। আপনারা বিষয়টির সত্যতা খোঁজ নিযে দেখতে পারেন। তিনি একজন মামলাবাজ মহিলা। সম্পর্কে আমার চাচী। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আমাদের ভুমিখেকো হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। অথচ আসল সত্য হচ্ছে, আমদের পৈতৃক সম্পদ থেকে তিনিই আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। তার স্বামী মৃত রিয়াাজ উল্লাহ উত্তরাধিকারী হিসাবে সম্পত্তির পাওনা ৫ শতক ২৫ পয়েন্ট। রিয়াজ উল্লাহর ভাই হিসাবে আমার পিতা মৃত হায়াত উল্লার উত্তরাধিকারী হিসাবে সমপরিমাণ সম্পত্তির মালিক। কিন্তু কুলসুমা বেগম ও তার ছেলে রাকিব হোসেন দুলাল আমাদের অংশও দখল করে রেখেছেন। ঐ জমিতে যাতে আমরা না যেতে পারি তার জন্যে আদালতে বাটোয়ারী মামলা দিয়ে নিষেধাঞ্জা জারি করে রেখেছেন।

তিনি বলেন, কুলসুমা বেগম একজন মামলাবাজ মহিলা। আদালতে বারবার মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দায়ের করে আমাদের গত ৩৫ বছর ধরে হয়রানি করছেন তিনি। এমনকি এলাকার অন্যান্য লোকদের উপরও নানান সময়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। সেগুলো আদালতে মিথ্যা বলে প্রমাণ হয়েছে। আমি আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ এলাকাবাসীর উপর কুলসুমা বেগমের দায়ের করা এমন ৭/৮ টি মামলা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। যার প্রমাণ আমরা প্রেসক্লাবে জমা দিয়েছে। চাইলে আপনারা তা দেখতে পারেন।

প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে যে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে তার প্রমাণ, তার মেয়ে নাছিমা বেগমের বয়স ২২ বছর উল্লেখ করেছেন, অথচ ১৯৮৬ সালে কুলসুমা বেগম যে মামলা দায়ের করেছেন সেখানে তার স্বামী রিয়াজ উল্লাকে মৃত হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সেই মৃত রিয়াজ উল্লাহর মেয়ের বয়স কিভাবে ২২ বছর হয়? এতেই কি প্রমাণ হয়না যে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণামূলক মামলা দাযের করে আমাদের অযথা হয়রানি করছেন?

আমরা কুলসুমা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের মামলা হামলায় গত ৩৪/২৫ বছর ধরে বিপর্যস্ত। এখন আবার তিনি সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন আমাদের বিরুদ্ধে। এসবের কোন সত্যতা নেই। আপনারা সরজমিনে তা দেখতে বা জানতে চাইলে আমরা আপনাদের সহযোগীতায় প্রস্তুত। তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাত করতে ছলনা, প্রতারণা আর মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছেন। আমি তার বক্তব্যে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

পাশাপাশি তাদের পরিবারকে কুলসুমার হয়রানি আর অত্যাচার থেকে রক্ষায় সিলেটের প্রশাসন এবং এলাকাবাসীর সহযোগীতা চেয়েছেন জসিম উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছাড়াও তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed