Main Menu
শিরোনাম
হবিগঞ্জ সদরে ৪ ইউপিতে আ.লীগ, বাকি চারে অন্যরা         শান্তিগঞ্জে ২টিতে নৌকা, বাকি ৬টিতে অন্যরা জয়ী         সুনামগঞ্জে সবক’টি ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি         সিলেটে ৯ ইউপিতে নৌকার জয়, বিদ্রোহীসহ অন্যরা ৭         সিকৃবিতে প্যারাসাইট রিসোর্স ব্যাংক উদ্বোধন         ছাতকে ক্রাশিং চুনাপাথর বিক্রি বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ         কমলগঞ্জে বসতঘর থেকে তরুনীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহির মৃত্যু         বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি         সিলেটের ১৬ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলছে         জৈন্তাপুরে ফ্রি সুন্নতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্টিত         সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে কাজ করছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন        

জকিগঞ্জে নাশকতা, অজ্ঞাত ৫শ’ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লায় পূজামন্ডপে পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননার জের ধরে সিলেটের জকিগঞ্জের কালিগঞ্জে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪৫০-৫শ’ লোককে আসামি করে পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় বুধবার দিবাগত গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে হান্নান আলী, রেজা হোসেন ও ফয়েজ আহমদ নামের তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় এ তিনজনের নামোল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি জানান, জকিগঞ্জ থানার এসআই আমিরুল ইসলাম শিকদার বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, কালিগঞ্জ বাজারে তান্ডব চালিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টার পরপরই উপজেলার প্রতিটি পূজামন্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। পূজা মন্ডপে যেকোন নাশকতা রোধে সর্তক রয়েছে প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লার ঘটনা শোনার পর গত বুধবার সন্ধায় জকিগঞ্জের কালিগঞ্জে মাইকিং করা হয়। এরপর এশার নামাজের পর তারা সেখানে মিছিল বের করে। মিছিলটি বাজার থেকে মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে ইউএনও, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের গাড়িতে হামলা-ভাংচুর করা হয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ার শেল ছুড়ে। সংঘর্ষে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মস্তুফা উদ্দিন ও পুলিশ-জনতাসহ ৩৫/৪০ জন আহত হন।

হামলার সময় উপজেলা চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন, ওসি আবুল কাসেম ইউনিয়ন পরিষদের ভিতরে অবস্থান করছিলেন। এঘটনার পর রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয় ঘটনাস্থলে।

এদিকে, খবর পেয়ে এদিন গভীর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এম এমদাদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন পিপিএম। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তান্ডবে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed