Main Menu

ভাটেরা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা এলাকায় আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে সম্পূর্ণ অলাভজনক চ্যারিটি হাসপাতাল ভাটেরা জেনারেল হাসপাতাল-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

বিশিষ্ট সমাজসেবী ডা. সায়েফ আহমদের দানকৃত ৩৫ ডিসিমেল ভূমির উপর সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতায় ১০ তলা বিশিষ্ট ৫০ বেডের হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে।

হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এ এইচ মোফাজ্জল করিম।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ভাটেরা ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে ভাটেরা জেনারেল হাসপাতাল-এর জন্যে দানকৃত ভূমিতে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সচিব মিকাইল শিপার।

সিলেট জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক (এফসিপিএস-সার্জারি) ডা. আহমদ আল আমিন ও ঘিলাছড়া দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মিছবাউর রহমানের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো: আখতারুজ্জামান, কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ভাটেরা কলেজের অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ, ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ এ কে এম নজরুল ইসলাম, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. সাঈদ এনাম, ডা. ইসরাত জাহান করিম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম।

সভায় এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন ভাটেরিয়ান সিলেট-এর আহবায়ক লুৎফুর রহমান এবং শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন ডা. হাফিজ জাকোয়ান রাদি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন খন্দকার আবদুস সোবহান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এ এইচ মোফাজ্জল করিম বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় ভাটেরা জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ এ অঞ্চলের অগ্রগতিতে একটি মাইল ফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি নির্মিতব্য হাসপাতালটিকে নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করার জন্যে এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, ভালো কাজে রাজনীতিমুক্ত সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।

সভাপতির বক্তব্যে মিকাইল সিপার বলেন, ডা. সায়েফ পৈত্রিক ভূমি মানুষের কল্যাণে দান করে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, চিকিৎসা সেবায় তা একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ভাটেরা জেনারেল হাসপাতালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা ডা. সায়েফ আহমদ জানান, এই হাসপাতালটি সম্পূর্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেবার উদ্দেশ্যে এলাকার মানুষসহ বিভিন্ন মানুষ দান করেছেন। আমরা এখন পর্যন্ত ৪ কোটি টাকার অঙ্গিকার পেয়েছি, আশা করছি প্রাথমিক পর্য্যায়ে আমরা তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারবো। দশতলা বিশিষ্ট ৮৫ হাজার বর্গফুটের হাসপাতাল ভবনটি নির্মাণে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। তিনি হাসপাতাল বাস্তবায়নে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ অনুযায়ী এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, যে দানটি সম্পূর্ন সদকায়ে জারিয়া হিসাবে পরিগণিত হবে।

Share





Related News

Comments are Closed