বিশ্বনাথে দুই ভাইয়ের অবদানে পরিবারে ৭ জন শিক্ষক
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে বংশানোক্রমে শিক্ষকতার জীবনে একই পরিবারের দুই ভাই এনেছেন অসাধারণ সফলতা।
নিজেদের শিক্ষকতার পাশাপাশি সুশিক্ষভ দিয়ে সন্তানদের জীবন গড়েছেন তারা।
৫ সন্তানকেও বানিয়েছেন মানুষ গড়ার কারিগর। ১২ সদস্যের পরিবারে ৭জনই শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।
যাদের অবদানে ৭জন শিক্ষক হয়েছেন তারা হলেন, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের ভোগশাইল গ্রামের নরেশ চন্দ্র দে’র দুই ছেলে অমলেন্দু চন্দ্র দে ও নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু।
তাদের বাবাও ছিলেন একজন সফল শিক্ষক। বাবা অবসরে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন সরপঞ্চ হিসেবে এলাকার দায়িত্ব পালন করেছেন।
অমলেন্দু দে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বনাথ সদরের বিশ্বনাথ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন। ওই শিক্ষকের ৩ কন্যা আজ শিক্ষকতা করছেন।
তিন কন্যার একজন বড় মেয়ে শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে হয়ে বর্তমানে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, একজন চান্দশির কাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন আর অপরজনও শ্বশুড় বাড়ি গোলাপগঞ্জে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন।
তার ছোটভাই নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু উপজেলা সদরের রামসুন্দর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অবসরে আছেন।
নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টুর দুই মেয়েও শিক্ষক। তাঁর মধ্যে একজন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক অপরজন শিক্ষক হওয়ার পর বিয়ে করে বর্তমানে অষ্ট্রিয়া রয়েছেন।
তাঁর ছেলে মিনাল কান্তি দে সিটি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে মিন্টু বলেন, তাঁর বাবার আদর্শে আমাদের পরিবার আজ এমন একটি অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি।
Related News
কানাইঘাটে চোরাইপণ্যবাহী পিকআপের ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সুনারতনপুঞ্জি গ্রামে পিকআপের চাকায় পিষ্টRead More
সিলেটে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের অভিযোগে ২০ মেশিন ধ্বংস
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছেRead More



Comments are Closed