Main Menu

জৈন্তাপুরে ৩০ বছর পর রাস্তা পেল তিন গ্রামবাসী

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুরে দীর্ঘ ৩০ বছর পর দেড় কিলোমিটার রাস্তা পেলেন তিন গ্রামের বাসিন্দারা। জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বিশেষ বরাদ্দে তিন গ্রামবাসীর চলাচলের এ রাস্তা পান। দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হবে বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলা নির্বাচনে কথা দিয়ে ছিলেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে নিজপাট ইউপি’র হর্নি, বাইরাখেল ও নয়াগ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় রাস্তা বিহীন গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য প্রায় দেড় কিলোমিটার নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হয়। ইতোমধ্যে গোয়াবাড়ী বাজার হতে বাইরাখলে বড় নয়াগাং নদীর মুখ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরনের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই রাস্তাটির টেন্ডার পক্রিয়া শেষ হলে পাকা করনের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি রাস্তাটি ব্যবহার করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সারী নদীর মুখ পর্যন্ত যাতায়াত করতে পারবে। এছাড়া পর্যটন প্রেমীদের জন্য রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠবে।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম বদরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম বলেন, শার্শী ছড়া হতে বাইরাখেল পর্যন্ত কোন রাস্তা ছিল না। আমরা জমির উপর দিয়ে তিন গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা, স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী সহ বর্ডারগার্ড বিজিবি’র সদস্যরা চলাচল করতে হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর দেড় কিলোমিটার রাস্তার জন্য আমরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছি। রাস্তাটি নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সময় আমরা বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার হয়নি।

উপজেলা নির্বাচনের সময় আমরা রাস্তাটি নির্মানের দাবি জানিয়ে ছিলাম কামাল আহমদের নিকট। আমাদের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ রাস্তাটি নির্মাণ করেছেন। আমরা চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কামাল আহমদ বলেন, রাস্তাটির জন্য এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে পরিষদের পক্ষ হতে শার্শীছড়া হতে বাইরাখেল পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে গোয়াবাড়ী হতে বাইরাখেল পর্যন্ত রাস্তাটি মন্ত্রী মহোদয়ের বরাদ্দে পাকাকরনের কাজ শুরু হবে।

Share





Related News

Comments are Closed