সিলেটে মৎস্য সপ্তাহ শুরু
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট জেলায় বছরে মাছের চাহিদা ৭২ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ৭৫ হাজার ৪২৭ মেট্রিকটন। এ জেলায় চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ২ হাজার ৫১৫ মেট্রিকটন বেশি।
শনিবার (২৮ আগস্ট) মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান মৎস অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক মো. জিল্লুর রহমান।
এদিন দুপুরে নগরের সাগরদিঘীরপাড়স্থ মৎস ভবনে মতবিনিময় সভায় তিনি আরও জানান, এ অঞ্চলে হাওর-জলাশয়ের সংখ্যা অনেক। পরিকল্পিত উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।
সভায় আরও বলা হয়, দেশে ২৬০ প্রজাতির স্বাদুপানির মাছের মধ্যে সিলেট অঞ্চলে ৮০ থেকে ৯০ প্রজাতির মাছ এবং ১০ থেকে ১৫ প্রজাতির চিংড়ি পাওয়া যায়। তবে, প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে দিন দিন এ অঞ্চলে মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে।
মোট উৎপাদনের মধ্যে সিলেট জেলার ১৩ উপজেলায় মুক্ত জলাশয়ে প্রায় ৫০ হাজার ৪১০ মেট্রিক টন এবং বদ্ধ জলাশয়ে ২৫ হাজার ১৬ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়।
উৎপাদন আরও বাড়াতে নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মৎস কর্মকর্তারা বলেন, ‘মৎস চাষীদের প্রণোদনাসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মৎস প্রদর্শনী ও প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে।’ বাণিজ্যিক খামারের সংখ্যা বাড়লে মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে বলে মনে করেন তারা।
এছাড়া, মৎস অফিসে জনবল সংকটসহ নানা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। সিলেট অঞ্চলে মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন কর্মকর্তারা।
জেলা মৎস কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় সিলেটের সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস অধিদপ্তর সিলেট সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা দ্বিজরাজ বর্মন প্রমুখ।
Related News
সিলেটে হাসপাতালের বারান্দায় মিলল মহিলার লাশ
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট মহানগরীর একটি সরকারি হাসপাতালের আউটডোরের বারান্দা থেকে একRead More
সহজে সেবা দিতে সিলেট মহানগরীকে ৫ অঞ্চলে ভাগ
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) দৈনন্দিন এবং সেবামূলক কার্যক্রমকে আরওRead More



Comments are Closed