Main Menu

ফেসবুকে লাইভ করা সেই ফয়ছল কাদির কারাগারে

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া সাংবাদিক পরিচয় দানকারী ফয়ছল কাদির (৪০)-কে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পীরেরবাজার থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা। এরপর তাকে শাহপরান থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তাকে বুধবার আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

ফয়সল কাদির শাহপরান (রহঃ) থানাধীন ইসলামী হাউজিং নোমান মিয়ার বাড়ি, মোল্লারচক পীরেরবাজার গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র। তার গ্রামের বাড়ি কানাইঘাট উপজেলার বড়দেশ গ্রামে।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরেরবাজার এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানকালে ফয়সল কাদিরকে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিপিএসসি কোম্পানী (ইসলামপুর ক্যাম্প) এর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম এবং সহকারী পুলিশ সুপার আফসান-আল-আলম। পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে শাহপরান (রহঃ) থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গত ৯ জুলাই সন্ধ্যার দিকে সিলেট শহরতলীর সুরমাগেইট এলাকায় কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল চড়ে যাচ্ছিলেন চালকসহ তিনজন আরোহী। তাদের মাথায় হেলমেট ছিল না। ট্রাফিক পুলিশ মোটরসাইকেলটি থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয়ে সেখান থেকে ফেসবুকে ‘লাইভ’ শুরু করেন। তিনি ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেন। আর প্রায় আধা ঘণ্টার লাইভ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মো. নুরুল আফসার ভূঁইয়া বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় একটি মামলা করেন।

ফয়ছল কাদির ফেসবুকের যে আইডি থেকে ঘটনাটির লাইভ দিয়েছিলেন, সেটির নাম ‘পিকে টিভি’ (পৃথিবীর কথা)। ‘পৃথিবীর কথা’ নামের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশক হিসেবে তার নাম রয়েছে।

লাইভে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলটি ট্রাাফিক পুলিশ আটকানোর পর তিনি উল্টো ট্রাফিক পুলিশের গাড়ির কাগজপত্র ঠিক আছে কি না, তাঁদের মাথায় হেলমেট আছে কি না, প্রভৃতি প্রশ্ন তুলেন। নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল আটকানোয় তিনি ফেসবুক লাইভে রোগী বহনকারী গাড়ির নম্বর নেই, সেসব তুলে ধরে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে নানা রকম বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেন।

Share





Related News

Comments are Closed