Main Menu

৯৯৯-এ কল পেয়ে রক্তাক্ত মোটরসাইকেল রাইডারকে উদ্ধার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে সড়কের পাশ থেকে এক মোটরসাইকেল রাইডারের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাতে ৯৯৯-এ কল পেয়ে সিলেটের মোগলাবাজার থানাধীন গফুরেরবাঁধ এলাকায় সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের পাশ থেকে গোলাম কিবরিয়া রাজু (৩৫) নামের এই মোটরসাইকেল রাইডারের রক্তামাখা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রাজু সিলেট মহানগরীর উত্তর বালুচর এলাকার আল ইসলাহ ১৮/২ নং বাসার মৃত আকদ্দছ আলীর ছেলে। রাজুকে বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেলসহ সবকিছু ছিনিয়ে নিয়েছে।

রাজুর বড়ভাই গিয়াস আহমদ জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে মোটর সাইকেলে করে যাত্রী বহনের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেননি রাজু। পরদিন ৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোগলাবাজার থানার গফুরেরবাঁধ এলাকায় সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের পাশে একটি যাত্রী ছাউনির ভিতরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে রাজুকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

গিয়াস বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উত্তর বালুচর মসজিদের পাশে একটি গ্যারেজে বসে রাজু তার চাচাতো ভাই নাসিরের সঙ্গে গল্প করেন। তারপর তিনি নিজ মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাত্রী বহনের উদ্দেশ্যে চলে যান। ওই দিন রাত ১১টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পরিবারের সদস্যরা কল দিলে ফোনটি বন্ধ পান। এ অবস্থায় সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরদিন পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাজুর পরিবারের লোকজন ওসমানী হাসপাতালে গিয়ে গোলাম কিবরিয়া রাজুকে শনাক্ত করেন।

দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেলসহ সবকিছু ছিনিয়ে নিয়েছে এবং রাজুর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানান গিয়াস আহমদ। এ বিষয়ে তিনি রোববার (১১ এপ্রিল) মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দুহা পিপিএম বলেন, এ বিষয়ে রাজুর বড় ভাই বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৭। মামলায় কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি জানান, রাজুকে অপহরণ করা হয়েছিলো কি-না, অথবা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed