Main Menu
শিরোনাম
জুড়ীতে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা         জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ২         বড়লেখায় দেবরের হাতে ভাবী খুন, দেবর গ্রেপ্তার         গোলাপগঞ্জে মন্দিরে ধর্ষণ চেষ্টার কোনো ঘটনাই ঘটেনি         বিশ্বনাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০         সিলেটে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৬২         বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের আত্মহত্যা         সিলেটে আরও ৭৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত         কোভিড যোদ্ধা ডা: মঈন উদ্দিনের মৃত্যুর এক বছর         বিশ্বনাথে কঠোর লকডাউন, মাঠে পুলিশ প্রশাসন         বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মহিলা নিহত         বিশ্বনাথে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক আটক        

মার্কেট খোলার দাবিতে সিলেটে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: লকডাউনে মার্কেট–শপিং মল বন্ধের প্রতিবাদে সিলেটের একাধিক স্থানে  সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ীরা। এসময় সড়কে দাঁড়িয়ে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে তারা মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার থেকে সিলেটসহ সারাদেশে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের লকডাউন। এ সময়ে সবধরনের সভা-সমাবেশ ও জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ শুকরিয়া মার্কেটের সামনে থেকে ‘সিলেটের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীবৃন্দ’র ব্যানারে মিছিল বের করেন ব্যবসায়ীরা।

মিছিল নিয়ে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে মানববন্ধন করেন তারা। প্রায় আধঘন্টা মানববন্ধন চলে। এরপর ব্যবসায়ীরা মিছিল নিয়ে জিন্দাবাজার পয়েন্টে এসে সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। করোনার কারণে লকডাউন থাকায় গেল বছরও ঈদে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করা থেকে বঞ্চিত হন।

এসময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লকডাউন দিলে শতভাগ লকডাউন দিতে হবে। কোনো কোনো খাত ছাড় দিয়ে কোনো কোনোটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাটা অন্যায়। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খোলা রাখতে পারলে নিজেদের খাবারদাবারের সংস্থান হবে, কর্মচারীরা বেতন পাবেন।

তারা আরও বলেন, সারাবছর ব্যবসায়ীরা এই সময়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ঈদের সময় ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেন। তিন ধাপে ব্যবসা ভেদে এ সময় কেনাবেচা হয়। রোজার আগের ১৫ দিন, রোজার প্রথম ১৫ দিন ও শেষ ১৫ দিন। এ সময়ে এসে দোকানপাট বন্ধ হওয়া মানে পথে বসে যাওয়া।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, যেভাবে বিশেষ বিবেচনায় শিল্প-কারখানা চালু রাখা হয়েছে, সেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখার সুযোগ দেয়া হোক। তারা সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুপুর ১২ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করতে চান এবং অনতিবিলম্বে সরকার কর্তৃক ঘোষিত লকডাউন প্রত্যাহারের দাবি জানান।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে প্রায় একবছর তারা ব্যবসা করা থেকে বিরত থাকেন। এখন আবার লকডাউন দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলে ব্যবসায়ীদের পথে বসতে হবে। পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানান তারা।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- ব্যবসায়ী নেতা ফুয়াদ বিন রশিদ, আবুল কালাম আজাদ, আজির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন চৌধুরী মাখন, আবদুর রহিম, মো. হাবিবুর রহমান, মোস্তফা মেহদী হাসান খান, শাব্বীর আহমদ লোকমান, সোহেল উসমান গণি, জাবেদুর রহমান, শাহনেওয়াজ শাকিল, জাহাঙ্গীর হোসেন খান ও আবদুল আহাদ প্রমুখ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার সকাল ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত পর্যন্ত চলাচল ও কাজে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এ সময় শুধু জরুরি সেবা ছাড়া প্রায় সবকিছু বন্ধ থাকবে। আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো পালিত হচ্ছে লকডাউন।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed