Main Menu
শিরোনাম

সাংবাদিক চৌধুরী মুমতাজসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সংবাদ প্রকাশ ও ফেসবুকে শেয়ার করায় সিলেটের স্থানীয় দৈনিক একাত্তরের কথা পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক, বার্তা সম্পাদক, রিপোর্টারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে। সিসিকের ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ছালেহ আহমদ সেলিম বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানায় মামলা (নং-৫) দায়ের করেন। যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এরা হলেন-দৈনিক একাত্তরের কথার প্রকাশক নজরুল ইসলাম বাবুল, সম্পাদক চৌধুরী মুমতাজ আহমদ, বার্তা সম্পাদক সাঈদ চৌধুরী টিপু, স্টাফ রিপোর্টার জিকরুল ইসলাম, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মোহিদ হোসেন, প্রধান ফটো সাংবাদিক এস এম সুজন, কানাইঘাট প্রতিনিধি সুজন চন্দ অনুপ। অন্যরা হলেন- আজহারুল ইসলাম মুমিন, আহমদ মারুফ, মো. মাহবুবুর রহমান, আবদুর রউফ জেকট, সৈয়দ একরাম আল সাহান, মির এ এইচ শিপলু, সৈয়দ আতিকুর রব চৌধুরী, রুবেল আহমদ. শাহিদ খান, আশরাফুজ্জামান বাদশা, এ এইচ রুহেল আহমদ।

শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী। তিনি বলেন, ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করেন, ‘একাত্তরের কথা’ পত্রিকায় গত ২৮ নভেম্বর ‘ভয়ে চুপ উপশহর’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। এই প্রতিবেদন অনলাইনেও প্রচারিত হয়। সম্পাদক-প্রকাশকসহ প্রতিবেদক ছয়জন প্রতিবেদনটি প্রচার করেছেন এবং বাকি ১১ জন সংবাদটি ফেসবুকে প্রচার করেন। এতে এলাকায় অস্থিরতা ও চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। সংবাদ প্রচার ও ফেসবুকে শেয়ার করে ‘ভাইরাল’ করায় সামাজিক মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।

চৌধুরী মুমতাজ আহমদ সিলেটের একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহারে গণমাধ্যমকর্মীরা যে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মামলাটি। তার বিরুদ্ধে একটি নয়, পরপর কয়েকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে সাংবাদিকতার সব নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।

মুমতাজ আহমদ বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তিনি অসন্তুষ্ট হতেই পারেন। মানহানি বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রতিবাদ জানাতে পারতেন, মানহানির মামলা কিংবা প্রেস কাউন্সিলে নালিশ করতে পারতেন। তা না করে হয়রানি করতেই এই মামলা করেছেন। একটি সংবাদ প্রকাশ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তা প্রচার করার মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কী করে প্রয়োগ হয়? পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলেই আসল সত্য বের হয়ে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

0Shares





Related News

Comments are Closed