Main Menu

রায়হান হত্যা: রিমান্ড শেষে পুলিশ সদস্য হারুন কারাগারে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দুই দফায় আট দিন রিমান্ড শেষেও রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বহিস্কৃত পুলিশ কনস্টেবল হারুনুর রশীদ আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিতে রাজি হননি। ২য় দফা রিমান্ড শেষে রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে হারুনুর রশীদকে সিলেটের অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে তোলা হয়। আদালতে হারুনুর রশীদ জবানবন্দি দিতে রাজী না হওয়ায় বিচারক জিহাদুর রহমান তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

রায়হান আহমদ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৯ অক্টোবর হারুনুর রশীদকে দ্বিতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই। এই মামলায় প্রথম দফায় তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিলো। এরআগে আরেক পুলিশ কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকেও দুই দফায় ৮ দিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই। তবে তিনি এ ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেননি।

রায়হান হত্যা মামলায় এএসআই আশেক-ই এলাহিকে গ্রেপ্তার করে গত ২৯ অক্টোবর ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪) নামের এক যুবক। পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।

এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।

এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে রায়হানকে ফাঁড়িতে এনে নির্যাতনের প্রাথমিক প্রমাণ পায় কমিটি। এই তদন্ত কমিটির সুপারিশে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটুচন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত এবং এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

স্ত্রীর দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে পিবিআই। মামলার প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর পলাতক রয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed