Main Menu

সিলেটে নববধূকে গণধর্ষণ, আসামি গ্রেপ্তার নেই

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিমানবন্দর থানা এলাকার এক তরুণীকে (১৮) বিয়ের ৬ দিন পর বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হলেও অভিযুক্তরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী বাদী হয়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।

মামলার এজাহার ও ভিক্টিমের মায়ের সাথে আলাপ করে জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনার ৬ দিন আগে বিয়ে হয় ওই তরুণীর। বিয়ের ৩য় দিনে ফিরাযাত্রায় আসলেও তার বাবার ঘরে থাকা হয়নি। পরে আরও ৩ দিন পর তরুণীর মা মেয়েকে বেড়াতে আনেন। এর পর ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টায় জ্বালানি কাঠ আনতে বাড়ির উঠানে বের হলে তরুণীকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী কালাগুল চা বাগানে রাতভর আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করে দুই যুবক। পরদিন ভোর হলে লোকজন আসছে দেখে তারা পালিয়ে গেলে উপস্থিত লোকজন ওই তরুণীকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ এসে তরুণীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) তে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় দেলওয়ার হোসেন (৩০) ও সাদ্দাম হোসেন (২৫) কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দেলওয়ার এয়ারপোর্ট থানা এলাকার দেবাইবহর এলাকার মুসলিম মিয়ার পুত্র ও সাদ্দাম ফতেহগড় এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের পুত্র। কিন্তু ঘটনার প্রায় ২৪ দিন পার হলেও এখনো কোন আসামি ধরা পড়েনি।

ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর খুব কষ্টে সন্তানগুলো নিয়ে জীবন কাটাচ্ছি। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু বেড়াতে আসার পর তারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করল। এখন মেয়ের স্বামীর বাড়ি থেকেও তালাক দিতে চাইছে। আসামিও ধরা হচ্ছে না। বরং যারা কাজটি করেছে তারা প্রতিদিন আমাকে ফোন করে হুমকি দিচ্ছে। আমার কাছে রেকর্ড আছে। আমি অসহায় মানুষ। কি করব বুঝতে পারছি না।

মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মামুন হোসেন সিলেট টুডে কে বলেন, ‘আসামিদের ধরতে চেষ্টা করছি। আসামি ধরা পড়লে জানাব।

এ ব্যাপারে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেনের সাথে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।

 

Share





Related News

Comments are Closed