Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১২,৫৩১, মৃত্যু ২১৬         মাধবপুরে মহাসড়কে ত্রিমুখী সংর্ঘষে নিহত ১         সিলেটের দুই ল্যাবে ৩১ জনের করোনা শনাক্ত         করোনায় মৃতদের লাশ দাফন করছে প্রতিশ্রুতি দাফন টীম         বিশ্বনাথে করোনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু         সিলাম হাজীপুরে মসজিদ নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন         সিলেটের দুই ল্যাবে ১৯ জনের করোনা শনাক্ত         বড়লেখায় ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল         বিশ্বনাথে ইউপি নির্বাচনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল         ওসমানীর ল্যাবে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত         শাবির ল্যাবে আরো ১৩ জনের করোনা শনাক্ত         সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১২,৪২৩, মৃত্যু ২১২        

টাঙ্গাইলে জোড়া খুনের মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: তিন বছর আগে টাঙ্গাইলে একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও তার স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-ভিকটিমের সৎ ভাই স্বপন কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম, মো. ফরহাদ হোসেন, মনিরুজ্জামান ভুইয়া, শায়ান মিয়া এবং মো. মনজুরুল ইসলাম।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান দণ্ডপ্রাপ্তদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

তিন বছর আগে জেলা শহরের রসুলপুর এলাকার নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ৬৫ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক অনীল চন্দ্র দাস এবং তার স্ত্রী ৫৫ বছর বয়সী কল্পনা দাসের লাশ পাওয়া যায়।

রায়কে কেন্দ্র করে সকালে কারাগার থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ তোলা হয় গ্রেফতার হওয়া ৫ আসামিকে। হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকা আসামি শয়ান মিয়াও এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বাবা-মায়ের হত্যার ন্যায়বিচারের জন্য এদিন আদালতে উপস্থিত হন অনিল-কল্পনা দম্পতির ছেলে নির্মল কুমার দাস।

রায় ঘোষণায় শুরুতে বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান বলেন, অনিল কুমারের সৎ ভাই স্বপন কুমার দাস অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য কৌশল অবলম্বন করতে থাকেন। একপর্যায়ে স্বপন কুমার দাসের সঙ্গী মাদকসেবী মনিরুজ্জামান, ফরহাদ, মঞ্জুরুল, জাহিদ ও শয়ান মিয়া অনিল কুমারের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সই করতে অস্বীকার করলে, ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই টাঙ্গাইলের রসুলপুরের বাসায় অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে আসামিরা হত্যা করে। হত্যার পর তাদের লাশ বস্তায় ভরে বাসার বাথরুমের সেফটি ট্যাঙ্কের ভেতর ফেলে রাখে। এরপর পুলিশ এসে তাদের লাশ উদ্ধার করেন।

রায়ে আদালত বলেন, নিহত অনিল কুমার একজন ভালো শিক্ষকের পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি মানুষ গড়ার কারিগর, একজন সমাজ সেবক ও জনহৈতিষী। । তাকে হত্যার মধ্য আসামিরা জঘন্য অপরাধ করেছে।

রায়ে সন্তোষ জানিয়ে অনিল কুমার দাসের ছেলে নির্মল গণমাধ্যমকে জানান, আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। আশা করছি দ্রুতই রায় কার্যকর করা হবে। আসামিদের ফাঁসি কার্যকর হলেই আমার বাব-মার আত্মা শান্তি পাবে।

বাবা-মার হত্যার পর ছেলে নির্মল কুমার দাস বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর খানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৎ ভাই স্বপন কুমারসহ ৬ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২৭ জন।

0Shares





Related News

Comments are Closed