Main Menu
শিরোনাম
সিলেটের দুই ল্যাবে আরো ১৬৪ জনের করোনা শনাক্ত         জকিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২         রাজনগরে সড়কে প্রাণ গেল ছাত্রলীগ নেতার         বিমানের সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট শুরু         বিশ্বনাথে এমপি মোকাব্বির খানের গাড়িতে হামলা         শাবির ল্যাবে আরো ২২ জনের করোনা শনাক্ত         কমলগঞ্জে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল         জৈন্তাপুরে ভারতীয় পাতার বিড়িসহ গ্রেফতার ১         গোয়াইনঘাটে ধর্ষণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন         শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা!         সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রী পপির আত্মহত্যা         ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে        

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে রেকর্ড

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনা সঙ্কটের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও রেকর্ড হয়েছে। জুন মাসের শুরুতে ৩৩ বিলিয়ন ডলার থেকে রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে ৩৭ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে।

এর আগে গত ৩০ জুন প্রথমবারের মতো ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল। করোনা সঙ্কটের মধ্যে সামগ্রিকভাবে প্রবাসীরা খারাপ অবস্থায় থাকলেও বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স ব্যাপক বাড়ছে। একই সাথে প্রচুর বিদেশি ঋণ আসছে। তবে আমদানি কমে যাওয়ায় বৈদেশিক চাহিদার তুলনায় সরবাহ ব্যাপক বেড়ে এভাবে রিজার্ভ বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। ২ শতাংশ হারে নগদ সায়তার কারণে এখন প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। যে কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে এভাবে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

জানা গেছে, চলতি মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসীরা ২২৪ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। এর আগে কখনো এক মাসেও এত অর্থ আসেনি। এতদিন একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল গত জুনে। ওই মাসে প্রবাসীরা ১৮৩ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠান। তার আগে এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল ২০১৯ সালের মে মাসে। আর সঙ্কটের মধ্যেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে এসেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় যা ১৭৯ কোটি ডলার বা ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা থেকে প্রচুর ঋণ পেয়েছে সরকার। মুদ্রা সরবরাহ এভাবে বাড়লেও গত অর্থবছর ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ আমদানি কমে ৫ হাজার ৫৯ কোটিতে নেমেছে। অবশ্য রপ্তানি ১৭ দশমিক ১০ শতাংশ কমে ৩ হাজার ২৮৩ কোটি ডলারে নেমেছে।

গত জুন মাসে রিজার্ভে একে একে তিনটি রেকর্ড হয়। মাসের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। তবে ৩ জুন প্রথমবারের মতো ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। একের পর এক রেকর্ড হয়ে ৩০ জুন রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যায়। মঙ্গলবার তা ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করলো। এর আগে সর্বশেষ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল ২০১৭ সালের জুনে। তারপর দীর্ঘদিন রিজার্ভ ৩২ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে উঠানামা করছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠালে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া অব্যাহত আছে। আবার বিশ্ব অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় হুন্ডি পথে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ব্যাপক কমেছে। কেননা সাধারণত অর্থ পাচারকারী প্রবাসীদের থেকে অবৈধ চ্যানেলে ডলার কিনে এখানে সুবিধাভোগীর হাতে টাকা পৌঁছে দেয়। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এখন সব দেশেরই খারাপ অবস্থা। যে কারণে হুন্ডি পথে ডলারের চাহিদা কমেছে। আগে যারা অবৈধ উপায়ে অর্থ পাঠাতেন তাদের অনেকেই এখন ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন।

0Shares





Comments are Closed