Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে নব্য জেএমবির ৫ শীর্ষ নেতা আটক         সিলেটের দুই ল্যাবে আরো ১৬৪ জনের করোনা শনাক্ত         জকিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২         রাজনগরে সড়কে প্রাণ গেল ছাত্রলীগ নেতার         বিমানের সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট শুরু         বিশ্বনাথে এমপি মোকাব্বির খানের গাড়িতে হামলা         শাবির ল্যাবে আরো ২২ জনের করোনা শনাক্ত         কমলগঞ্জে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল         জৈন্তাপুরে ভারতীয় পাতার বিড়িসহ গ্রেফতার ১         গোয়াইনঘাটে ধর্ষণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন         শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা!         সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রী পপির আত্মহত্যা        

সুনামগঞ্জে ২৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ তৎপরতা শুরু

আল-হেলাল, সুনামগঞ্জ থেকে : পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জে বন্যায় মানুষের বাড়িঘর ও সহায় সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার প্রেক্ষিতে বন্যার্ত জনসাধারনের দূর্দশা লাগবের লক্ষে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌরসভায় এ পর্যন্ত ২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

রোববার জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দিনব্যাপী সরজমিনে গিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর ও পৌর পরিষদের কর্মকর্তারা এসব আশ্রয় কেন্দ্র চালু করেছেন।

একইদিন বিকেলে সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ ও সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের পুরান লক্ষনশ্রী গুচ্ছগ্রামের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রিত বন্যার্তদের মাঝে চিড়া, মুড়ি, গুড়, দিয়াশলাই, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী নিজ হাতে বিতরন করার মধ্যে দিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা, পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম বজলু, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, গৌরারং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফুল মিয়া ও পৌর কাউন্সিলর ফজর নূর উপস্থিত ছিলেন।

একই সময়ে সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখ্ত শহরের ১নং ওয়ার্ডের নবীনগর এলাকাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরন করেন। এসময় প্যানেল মেয়র হোসেন আহমদ রাসেলসহ পৌর পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা বলেন,পর্যায়ক্রমে প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ২ হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

মেয়র নাদের বখত বলেন, আশা করি শহরের বন্যার পানি ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়ে ভাটির দিকে চলে গিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কোন কারণে আকস্মিক অবনতি হলে জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনসহ শহরের ব্যক্তি মালিকানাধীন বহুতল বিশিষ্ট বাসভবনগুলোকেও আমরা আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তুলবো। আশ্রয় কেন্দ্রগুলো হচ্ছে শহরের সরকারী বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা বলেন, পৌর এলাকার বাইরে সদর উপজেলায় ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। উপজেলার ২৩টি হাইস্কুল ও ১২৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে চালু করার প্রস্তুতি রয়েছে।

0Shares





Related News

Comments are Closed