Main Menu

রক্ষা পেল পৃথিবী, পাশ ঘেঁষে চলে গেল সেই গ্রহাণু

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: বিশাল এক গ্রহাণু তীব্র গতিতে ছুটে আসছিল পৃথিবীর দিকে। গ্রহাণুটির সাইজ প্রায় মাউন্ট এভারেস্টের সমান। ২.৫ মাইল চওড়া গ্রহাণুটি ঘণ্টায় ১৯,৪৬১ মাইল বেগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছিল।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, ২৯ এপ্রিল, অর্থাৎ বুধবার (29 April Asteroid 2020) ভোর ৫.৫৬ নাগাদ পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে গ্রহাণু ১৯৯৮ ওআর২ (1998 OR2)।

অবশেষে সেটাই হলো- পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে চলে গেল সেই বিরাট গ্রহাণু। প্রায় দুই কিলোমিটার চওড়া গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে বিশাল ক্ষতি হতো। মারা পড়ত কোটি মানুষ। কিন্তু বুধবার ভোরে একবার পৃথিবীকে ‘হাই’ জানিয়ে চলে গেল গ্রহাণুটি।

পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৯ লাখ মাইল দূর দিয়ে ছুটে যায় গ্রহাণুটি। তবে এর কোনো প্রভাব পড়েনি পৃথিবীর ওপর। ঘটনার সময় মহাকাশের দিকে চোখ রেখেছিল নাসার বিজ্ঞানীরা।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি এটি পৃথিবীর সঙ্গে কোনোভাবে ধাক্কা খেত তাহলে পৃথিবীতে ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়তে পারত। কিন্তু সেরকম কোনো কিছুই ঘটেনি।

নাসা জানায়, আকারে বৃহৎ এই গ্রহাণুর সামনের অংশে উঁচু রেখার মতো রয়েছে, যা দূর থেকে ‘মাস্কের মতো’ দেখতে লাগছে। আরও জানা গেছে, গ্রহাণুটির কোড নাম ৫২৭৬৮ এবং এটি শেষবার ১৯৯৮ সালে দেখা গিয়েছিল। পৃথিবী ঘেঁষে উড়ে যাওয়ার সময় পৃথিবী থেকে গ্রহাণুর দূরত্ব ছিল ৩৯ লাখ কিলোমিটার।

অনেক গবেষক জানাচ্ছেন, আগামী ২০৭৯ অবধি এবার নিশ্চিত হতে পারেন বিশ্ববাসী। কারণ ২০৭৯ সালের এই এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কাছে আর ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। করোনা আবহে এই গ্রহাণু ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ, গ্রহাণুটি আসছে মাস্ক পরে। মাস্ক পরা এখনো বাধ্যতামূলক। সারা পৃথিবীর মানুষ এখন মাস্ক পরার অভ্যাস করে ফেলেছেন। এই অবস্থায় নাকি পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে একটা আস্ত গ্রহাণু, যার নাকি মুখে বাঁধা মাস্ক।

অবশ্য মহাকাশবিদরা জানিয়েছেন এই গ্রহাণুটির ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এমনই যাতে দেখে মনে হচ্ছে এটিকে ফেস মাস্ক পড়ানো হয়েছে। আসলে এই গ্রহাণুটি পর্বতের মতো চড়াই-উৎরাইতে ভরা। আর সেই জন্যই এমন চেহারা তৈরি হয়েছে।

0Shares





Related News

Comments are Closed