সিলেট পেল আরো ২৫০ টন চাল ও ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মহীন ও দুস্থদের জন্য তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য আরও ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ও ৯ হাজার ৬০০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। টাকার মধ্যে ৪ কোটি ৭০ লাখ ত্রাণ হিসাবে বিতরণ এবং এক কোটি ৬০ লাখ টাকা শিশু খাদ্য কিনতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে সিলেট জেলা এবং মহানগরী ২৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে। এছাড়া হবিগঞ্জ বরাদ্দ পেয়েছে ১৫০ মেট্রিক টন চাল ও ৯২ লাখ ২৪ হাজার টাকা, সুনামগঞ্জ পেয়েছে ১৫০ মেট্রিক টন চাল ও ৯২ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং মৌলভীবাজার পেয়েছে ১০০ মেট্রিক টন চাল ও ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এই বরাদ্দ দিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত কয়েক দফায় ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৫৩ কোটি ৬৫ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা (শিশুখাদ্য কেনাসহ) ও এক লাখ ৪ হাজার ২৬৭ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।
জেলা প্রশাসকরা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে এ বরাদ্দ বিতরণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করবেন বলে বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশন এবং পৌর এলাকায় বেশি সংখ্যক কর্মজীবী মানুষ বসবাস করায় জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দের ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন ও পৌর এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
ত্রাণসামগ্রী হিসেবে শাকসবজি কিনে বিতরণ করা যেতে পারে। প্রত্যেক ত্রাণ গ্রহণকারীকে কমপক্ষে পাঁচটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করা যেতে পারে বলে বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিশু খাদ্য ক্রয়ের শর্তাবলীতে বলা হয়, শিশুখাদ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিধি-বিধান ও আর্থিক নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিফলন করতে হবে। জি টু জি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে কিনে মিল্ক ভিটার উৎপাদিত গুড়া দুধ চলমান কাজে ত্রাণসামগ্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এছাড়া শিশু খাদ্য হিসেবে খেজুর, বিস্কুট, ফর্টিফাইড তেল, ব্রাউন চিনি, সুজি, মসুর ডাল, সাগু, ফর্টিফাইড চাল, ওয়াটার পিউরিফায়ার ট্যাবলেট, বাদাম, মানসম্মত রেডিমেড ফুড ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য স্থানীয়ভাবে কিনে বিতরণ করতে হবে। জেলা প্রশাসকরা আরোপিত শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে ছাড় করা অর্থে শিশু খাদ্য কিনে বিতরণ করবেন এবং নিরীক্ষার জন্য হিসাব সংরক্ষণ করবেন।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রথম ধাপে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পরে আর চার দফায় ৫ মে পর্যন্ত সেই ছুটি বাড়ানো হয়। এ সময়ে মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। এতে শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
Related News
জকিগঞ্জে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জকিগঞ্জে প্রবাসী হোসেন আহমদের বাড়িতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতRead More
গোয়াইনঘাটে যৌথ অভিযানে ৮ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাটে ইজারাবহির্ভূত স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনাRead More



Comments are Closed